মোদীর সভার আগেই রণক্ষেত্র বারুইপুর! বিজেপির প্রচার টোটোয় হামলা, চালককে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাই-ভোল্টেজ সভার কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর। বারুইপুর পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের টংতলা এলাকায় বিজেপির প্রচারের কাজে ব্যবহৃত একটি ই-রিকশা বা টোটোতে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতভর চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে কল্যাণপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।
আক্রমণ ও রাজনৈতিক সংঘাত
বিজেপির অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে কল্যাণপুরের চাকারবেড়িয়া এলাকায় প্রচার চালানোর সময় একদল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী তাদের পথ আটকায়। টোটোচালক অজয় হালদারকে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করার পাশাপাশি গাড়িতে থাকা প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ফ্লেক্স ও ব্যানার ছিঁড়ে ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিজেপি প্রার্থী বিশ্বজিৎ পাল। তিনি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দিকে আঙুল তুলে অগণতান্ত্রিক আচরণের অভিযোগ এনেছেন।
পাল্টা যুক্তি ও বর্তমান পরিস্থিতি
তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানের দাবি, এটি বিজেপির আদি ও নব্য গোষ্ঠীর অন্তর্দ্বন্দ্বের ফল। নিজেদের কোন্দল ঢাকতেই শাসকদলের ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে। এই সংঘাতের ফলে নির্বাচনী আবহে এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক মেরুকরণ শুরু হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর সভার আগে এই ধরনের হিংসা সাধারণ ভোটারদের মধ্যে ভীতি তৈরি করতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই ঘটনা যেমন নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে, তেমনই যুযুধান দুই শিবিরের প্রচারের পারদকেও কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। বারুইপুর থানায় ইতিমধ্যেই লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
এক ঝলকে
- বারুইপুরে প্রধানমন্ত্রীর সভার আগে বিজেপির প্রচার টোটোতে হামলা ও ভাঙচুর।
- চালককে মারধর ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ফ্লেক্স ছেঁড়ার অভিযোগ।
- তৃণমূলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ বিজেপির, দায় অস্বীকার শাসকদলের।
- এলাকায় চাপা উত্তেজনা ও নিরাপত্তার স্বার্থে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন।
