রাজ্যে প্রবল কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি, বিকেলেই শুরু হচ্ছে প্রকৃতির রুদ্ররূপ! – এবেলা

রাজ্যে প্রবল কালবৈশাখীর ভ্রুকুটি, বিকেলেই শুরু হচ্ছে প্রকৃতির রুদ্ররূপ! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই প্রবেশ করেছে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু, এবার দক্ষিণবঙ্গেও তার আগমন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যেই দক্ষিণবঙ্গ-সহ পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতে বর্ষা প্রবেশের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তবে বর্ষা প্রবেশের ঠিক প্রাক্কালে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় কালবৈশাখীর মতো প্রবল দুর্যোগের পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

দুর্যোগের কারণ ও আবহাওয়ার প্রকৃতি

বিহারের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত একটি ঘূর্ণাবর্ত এবং বঙ্গোপসাগর থেকে আসা বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্পের প্রভাবেই রাজ্যে এই জোরালো বজ্রঝড়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এর জেরে দক্ষিণবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, হুগলি, দুই মেদিনীপুর এবং ঝাড়গ্রামে ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার তাণ্ডব চলতে পারে। পাশাপাশি কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলোতেও বিকেল থেকে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি এবং ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে আগামী কয়েকদিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

জনজীবনে প্রভাব ও লাল সতর্কতা

এই প্রবল ঝড়-বৃষ্টির কারণে সাময়িক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকলেও দীর্ঘমেয়াদি তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া থেকে শহরবাসী তথা রাজ্যবাসী অনেকটাই স্বস্তি পাবেন। আগামী রবিবার পর্যন্ত কলকাতার তাপমাত্রা কমে ৩২ থেকে ৩৩ ডিগ্রির আশেপাশে থাকতে পারে। সম্ভাব্য বিপদের কথা মাথায় রেখে ইতিমধ্যেই উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব মেদিনীপুরে আবহাওয়া ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের পক্ষ থেকে লাল সতর্কতা বা ‘রেড নাওকাস্ট’ জারি করা হয়েছে। দুর্যোগ চলাকালীন সাধারণ মানুষকে খোলা মাঠ এবং জলাশয় এড়িয়ে দ্রুত নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার কড়া পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *