শুভেন্দুকে নিশানা জইশের! দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে জেল থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের চাঞ্চল্যকর পোস্ট! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার ও দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার দীর্ঘদিন পর হঠাৎই চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে তৃণমূলের প্রাক্তন মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তবে কোনো রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব নয়, বরং রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বিস্ফোরক তথ্য প্রকাশ্যে আসার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ঠিক কী ঘটেছে?
সম্প্রতি পূর্ব বর্ধমান থেকে হামিম মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। তদন্তে জানা যায়, নিষিদ্ধ পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠন ‘জইশ-ই-মহম্মদ’-এর সঙ্গে তার সরাসরি যোগাযোগ ছিল। এনক্রিপ্টেড অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের নির্দেশমতো সে কাজ করত।
এসটিএফ-এর চাঞ্চল্যকর দাবি, এই জঙ্গি নেটওয়ার্কের মূল লক্ষ্য ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বয়ং! মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধি, রুট ও নিরাপত্তার গোপন তথ্য পাচার করাই ছিল ধৃতের মূল কাজ।
পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের তোলপাড় করা বার্তা
মুখ্যমন্ত্রীর ওপর এই সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার খবর সামনে আসতেই জেল থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় সোচ্চার হন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি লেখেন—
“এটি শুধু সন্ত্রাসবাদের তদন্ত নয়; সীমান্তপারের নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল মগজধোলাই এবং শীর্ষ নেতৃত্বের নিরাপত্তা—তিনটি বিষয় এখানে যুক্ত।”
তিনি জোর দিয়ে বলেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সুরক্ষায় অবিলম্বে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করা উচিত। মৌলবাদী শক্তির বিরুদ্ধে কেন্দ্র ও রাজ্যকে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ করার আহ্বান জানান তিনি।
রাজনৈতিক মহলে জোরালো জল্পনা
দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার পর জাতীয় নিরাপত্তা ও বিরোধী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের নিরাপত্তা নিয়ে পার্থের এই আকস্মিক উদ্বেগ নতুন সমীকরণের জন্ম দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের প্রশ্ন—এটি কি নেহাতই একজন প্রবীণ রাজনীতিকের মানবিক উদ্বেগ, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে রয়েছে অন্য কোনো রাজনৈতিক বার্তা? এই পোস্টকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।
