শুরু হল ডিজিটাল জনগণনা! দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে রাজ্যবাসীর কাছে বিশেষ আর্জি ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ডিজিটাল জাতীয় জনগণনা। এই আবহে ত্রিপুরার নাগরিকদের কাছে সঠিক তথ্য দিয়ে জনগণনায় সাহায্য করার বিশেষ আবেদন জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। শুক্রবার রাজ্যস্তরের পঞ্চায়েত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, দেশের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও উন্নয়নের রূপরেখা তৈরিতে এই জনগণনা অত্যন্ত জরুরি।
খবরের হাইলাইটস:
- ডিজিটাল জনগণনা শুরু: শুক্রবার থেকে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে ডিজিটাল জনগণনা প্রক্রিয়া।
- মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা: কেন্দ্রীয় সরকারের ভবিষ্যৎ জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের স্বার্থে রাজ্যবাসীকে নির্ভুল তথ্য দেওয়ার আর্জি মানিক সাহার।
- পঞ্চায়েত স্তরে সাফল্য: গ্রামীণ উন্নয়নে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের জন্য ত্রিপুরায় ৫১টি পঞ্চায়েতকে পুরস্কৃত করা হল।
সঠিক তথ্যের গুরুত্ব মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা জানান, ভারতের প্রকৃত জনসংখ্যা ও আনুষঙ্গিক অন্যান্য তথ্য জানা অত্যন্ত প্রয়োজন। কারণ, এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করেই কেন্দ্রীয় সরকার আগামী দিনের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করবে। স্বচ্ছভাবে এই প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, “আমি প্রত্যেককে অনুরোধ করছি, আপনারা নিজে থেকে এগিয়ে আসুন এবং জনগণনার জন্য একেবারে সঠিক তথ্য দিন।”
গ্রামীণ উন্নয়নে বিশেষ জোর জনগণনার পাশাপাশি এদিন গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকটিও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, রাজ্যের প্রায় ৭৫ শতাংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন। তাই গ্রামের উন্নয়ন ছাড়া রাজ্যের সার্বিক বিকাশ কোনোভাবেই সম্ভব নয়। ত্রিপুরার পঞ্চায়েতগুলি জাতীয় স্তরে ধারাবাহিকভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গত বছর সাতটি পঞ্চায়েত জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিল। এবারও কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের মানদণ্ডের ভিত্তিতে ৫১টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, যা ভালো কাজের বড় প্রমাণ।
সাধারণ মানুষের মতামতের ভিত্তিতে সরকারি আধিকারিক ও কর্মীরা একযোগে কাজ করলেই ত্রিপুরার প্রতিটি পঞ্চায়েতকে ‘আদর্শ মডেল’ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।
