সপ্তাহে শারীরিক ঘনিষ্ঠতা কম হলে কি স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়? প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
সুস্থ থাকতে শয্যাসঙ্গী প্রয়োজন কতটা! চাঞ্চল্যকর গবেষণায় বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
ব্যক্তিগত জীবনের একটি গোপন অভ্যাসের সঙ্গে যে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের গভীর যোগসূত্র রয়েছে, তা অনেকেই হয়তো ভেবে দেখেননি। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছে যে, যারা সপ্তাহে খুব কম সময় শয্যাসঙ্গীর সাথে অন্তরঙ্গ মুহূর্ত কাটান, তাদের শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানাবিধ স্বাস্থ্যঝুঁকি। এই বিষয়টি কেবল সম্পর্কের রসায়ন নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী সুস্থতার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব
গবেষকদের মতে, নিয়মিত শারীরিক ঘনিষ্ঠতা শরীরের স্বাভাবিক কার্যপ্রক্রিয়াকে সচল রাখতে সাহায্য করে। শয্যাসঙ্গীর সাথে অন্তরঙ্গতার সময় শরীরে ‘অক্সিটোসিন’-এর মতো হরমোন নিঃসৃত হয়, যা মানসিক চাপ কমাতে এবং প্রশান্তি বাড়াতে জাদুকরী ভূমিকা পালন করে। যারা এই ঘনিষ্ঠতা থেকে বঞ্চিত হন, তাদের ক্ষেত্রে অনিদ্রা, উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য এটি একটি প্রাকৃতিক ওষুধ হিসেবে কাজ করে। এছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে, পর্যাপ্ত সান্নিধ্যের অভাবে মানুষের আত্মবিশ্বাস কমে যায় এবং মেজাজে খিটখিটে ভাব দেখা দেয়।
সম্পর্কের গভীরতা ও সচেতনতা
শুধুমাত্র শারীরিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেই নয়, মানসিক প্রশান্তি ও পারস্পরিক সম্পর্কের বুনন মজবুত করতেও অন্তরঙ্গ মুহূর্তের গুরুত্ব অপরিসীম। শারীরিক ঘনিষ্ঠতা কমে গেলে দম্পতিদের মধ্যে দূরত্ব ও ভুল বোঝাবুঝি সৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ে। সম্পর্কের মান উন্নত করতে এবং পারস্পরিক বিশ্বাস অটুট রাখতে নিয়মিত ব্যক্তিগত সান্নিধ্য অপরিহার্য। জীবনধারায় ভারসাম্য বজায় রাখা, পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি সঙ্গীর সাথে মানসম্মত সময় কাটানো শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য অপরিহার্য বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
