সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বেড়ে ৬০ শতাংশ হলো! খুশির জোয়ার ১২ লক্ষ পরিবারে – এবেলা

সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা বেড়ে ৬০ শতাংশ হলো! খুশির জোয়ার ১২ লক্ষ পরিবারে – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ক্রমবর্ধমান মূল্যবৃদ্ধির বাজারে রাজস্থানের সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের জন্য বড়সড় আর্থিক স্বস্তির খবর নিয়ে এলো মুখ্যমন্ত্রী ভজনলাল শর্মার সরকার। কেন্দ্রীয় সরকারের নীতি অনুসরণ করে রাজ্য প্রশাসন ২ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা (DA) ও মহার্ঘ ত্রাণ (DR) বৃদ্ধির চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। এর ফলে মরুরাজ্যের প্রায় ১২ লক্ষের বেশি মানুষ সরাসরি উপকৃত হতে চলেছেন। এতদিন ৫৮ শতাংশ হারে ভাতা পেলেও, নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে ৬০ শতাংশ হারে ডিএ পাবেন কর্মীরা।

আর্থিক লাভ ও কার্যকারিতার সময়সীমা
রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তটি গত ১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে কার্যকর বলে গণ্য করা হবে। ৭ লক্ষ ২ হাজার নিয়মিত কর্মচারী এবং ৫ লক্ষ ৪৪ হাজার পেনশনভোগী সরাসরি এই সুবিধার আওতায় আসছেন। এছাড়া পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের কর্মীরাও বর্ধিত ভাতার সুবিধা পাবেন। সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন মাসে মে মাসের বেতনের সঙ্গেই এই বাড়তি অর্থ নগদে পাবেন কর্মীরা। তবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চার মাসের বকেয়া বা অ্যারিয়ারের টাকা সরাসরি জমা হবে কর্মচারীদের জিপিএফ (GPF) অ্যাকাউন্টে।

রাজকোষের ওপর প্রভাব ও কারণ
মুদ্রাস্ফীতির কারণে নিত্যপণ্যের আকাশছোঁয়া দামের সাথে তাল মেলাতে এবং সরকারি কর্মীদের ক্রয়ক্ষমতা স্থিতিশীল রাখতেই এই মহার্ঘ ভাতা বাড়ানো হয়েছে। সাধারণত কেন্দ্রীয় সরকার বছরে দু’বার ডিএ পর্যালোচনা করে থাকে, যার প্রেক্ষিতেই রাজস্থান সরকার এই পদক্ষেপ নিল। তবে এই বেতন বৃদ্ধির ফলে রাজ্যের ওপর বড় মাপের আর্থিক চাপ তৈরি হতে চলেছে। হিসেব অনুযায়ী, মহার্ঘ ভাতার এই নতুন হার কার্যকর করতে রাজস্থান রাজকোষ থেকে বছরে অতিরিক্ত ১,১৫৬ কোটি টাকা ব্যয় হবে।

এক ঝলকে

রাজস্থান সরকারি কর্মীদের মহার্ঘ ভাতা (DA) ২ শতাংশ বেড়ে ৫৮ থেকে ৬০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

১ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে এই নতুন হার কার্যকর হবে এবং জুন মাসের বেতন থেকে তা নগদে পাওয়া যাবে।

১২ লক্ষের বেশি কর্মচারী ও পেনশনভোগীর পাশাপাশি জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত কর্মীরাও সুবিধা পাবেন।

বকেয়া চার মাসের টাকা জিপিএফ অ্যাকাউন্টে জমা হবে এবং এতে সরকারের বার্ষিক খরচ বাড়বে ১,১৫৬ কোটি টাকা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *