‘স্বাস্থ্য সাথী’র জায়গায় এবার ‘আয়ুষ্মান ভারত’? জেনে নিন কীভাবে মিলবে নতুন কার্ড – এবেলা

‘স্বাস্থ্য সাথী’র জায়গায় এবার ‘আয়ুষ্মান ভারত’? জেনে নিন কীভাবে মিলবে নতুন কার্ড – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

রাজ্যে আয়ুষ্মান ভারত চালুর জোর জল্পনা, চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে তুঙ্গে সাধারণ মানুষের কৌতূহল

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে এবার স্বাস্থ্য পরিষেবায় বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজ্যে চালু থাকা ‘স্বাস্থ্য সাথী’ প্রকল্পের পাশাপাশি বা তার পরিবর্তে ধাপে ধাপে কেন্দ্রের ‘আয়ুষ্মান ভারত’ যোজনা চালু হতে পারে। এই খবর সামনে আসতেই পুরুলিয়া জেলা সহ ঝালদা মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। কবে থেকে নতুন কার্ড মিলবে এবং কীভাবে এই পরিষেবা পাওয়া যাবে, তা নিয়ে এখন সর্বত্রই কৌতূহল তুঙ্গে।

কার্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া ও সুবিধা

কেন্দ্রীয় সরকারের এই স্বাস্থ্য প্রকল্পে একটি পরিবার বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পেতে পারে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই জেলার ব্লকস্তরে বিশেষ শিবিরের মাধ্যমে উপভোক্তাদের নাম যাচাই ও কার্ড তৈরির কাজ শুরু হতে পারে। এই প্রক্রিয়ায় প্রাথমিকভাবে রেশন কার্ড বাধ্যতামূলক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পরিবারভিত্তিক তথ্য যাচাইয়ের পর সিএসসি কেন্দ্র, ব্লক অফিস অথবা বিশেষ স্বাস্থ্য শিবিরে আবেদন করা যেতে পারে। মোবাইল নম্বর যুক্ত থাকলে ওটিপি যাচাইয়ের মাধ্যমে সরাসরি ডিজিটাল কার্ড ডাউনলোডের ব্যবস্থাও থাকতে পারে।

প্রভাব ও ধোঁয়াশা

ঝালদা, বাঘমুণ্ডি, জয়পুর সহ আশপাশের গ্রামীণ এলাকার বহু মানুষ এখন এই প্রকল্পের অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষ করে দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির কাছে এই স্বাস্থ্য পরিষেবা বড় স্বস্তি এনে দিতে পারে। এই কার্ডের মাধ্যমে পুরুলিয়া জেলার হাসপাতালগুলি ছাড়াও নির্দিষ্ট তালিকাভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করানো যাবে। এমনকি রাজ্যের বাইরে ভিনরাজ্যের হাসপাতালেও এই পরিষেবা মিলবে। তবে নতুন প্রকল্প নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ বাড়ছে, তেমনই জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক জানিয়েছেন যে এখনও এ বিষয়ে কোনও প্রশাসনিক চিঠি আসেনি। ফলে স্বাস্থ্য সাথী সম্পূর্ণ বন্ধ হবে নাকি দুটি প্রকল্প একসঙ্গে চলবে, তা নিয়ে এখনও কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে।

এক ঝলকে

  • রাজ্যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ চালুর জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
  • এই প্রকল্পের আওতায় উপভোক্তা পরিবারগুলি বছরে সর্বোচ্চ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাশলেস চিকিৎসার সুবিধা পাবেন।
  • আগামী জুন মাসের শুরু থেকেই জেলা ও ব্লকস্তরে বিশেষ শিবিরের মাধ্যমে নাম যাচাই ও কার্ড তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
  • রাজ্যের পাশাপাশি ভিনরাজ্যের তালিকাভুক্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালেও এই কার্ডের মাধ্যমে চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *