‘৩০ জনের ফোন আসছে!’ কুণালের বড় দাবির পরেই ঋতব্রতের জোরালো পাল্টা তোপ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
কলকাতা: ৬ জন সাংসদ ও ৩০ জন বিধায়ক দল ছাড়লেও নিজের আনুগত্য ধরে রেখেছেন বলে দাবি করলেন কুণাল ঘোষ। শুধু তা-ই নয়, তিনি এক বিস্ফোরক দাবি করে জানান, অপর শিবির থেকে ৩০ জনেরও বেশি লোক ক্রমাগত তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। কুণালের মতে, অনেকে নিজেদের সম্মান বা আইনি সমস্যা সামলাতে গিয়েছিলেন, কিন্তু সেখানে তাঁদের কোনো স্বাচ্ছন্দ্য নেই। এমনকি ৬ জন সাংসদও তৃণমূলে ফিরতে আগ্রহী বলে দাবি করেন তিনি।
রাজনৈতিক সমীকরণের এই জল্পনার মাঝেই ঘি ঢেলেছে শশী পাঁজার এক আচমকা সফর। শনিবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে ড. কাকলি ঘোষ দস্তিদারের চিকিৎসাকেন্দ্রে হাজির হন শশী পাঁজা। এই সাক্ষাৎ ঘিরে নতুন রাজনৈতিক নাটকের জল্পনা তুঙ্গে ওঠে। যদিও কাকলি ঘোষ দস্তিদার সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে জানান, শশী পাঁজা তাঁর প্রথম ছাত্রী ছিলেন, তাই তাঁদের সম্পর্ক সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত, এর মধ্যে কোনো রাজনীতি নেই।
অন্যদিকে কুণাল ঘোষের এই দাবিকে বিন্দুমাত্র আমল দিতে নারাজ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। কুণালকে কটাক্ষ করে তিনি পাল্টা পরামর্শ দেন, অন্য দলের দিকে নজর না দিয়ে নিজেদের দলের নেতাদের ওপর নজরদারি চালানো উচিত। পাশাপাশি এক সাংসদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে পাল্টাচাপ তৈরি করেন তিনি। কুণাল ও ঋতব্রতের এই বাকযুদ্ধ এবং শশী-কাকলির সাক্ষাৎ—সব মিলিয়ে রাজ্য রাজনীতি এখন উত্তাল।
