৫০ লক্ষ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের জালে ফোর্ট উইলিয়ামের সেনা কর্নেল – এবেলা

৫০ লক্ষ টাকার ঘুষ কেলেঙ্কারিতে সিবিআইয়ের জালে ফোর্ট উইলিয়ামের সেনা কর্নেল – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে অবস্থিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডে এক বড়সড় দুর্নীতি মামলার পর্দাফাঁস করল সিবিআই। ৫০ লক্ষ টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে আর্মি অর্ডন্যান্স কর্পসের কর্মরত কর্নেল হিমাংশু বালি-কে। দেশের অন্যতম সুরক্ষিত এবং মর্যাদাপূর্ণ সেনা সদর দফতরে এই স্তরের একজন কর্মকর্তার গ্রেফতারির ঘটনায় প্রতিরক্ষা মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

দুর্নীতির নেপথ্য কারণ

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, সেনাবাহিনীর বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া এবং বেসরকারি সংস্থাকে অন্যায্য সুবিধা পাইয়ে দিয়ে মোটা অঙ্কের বিল পাস করানোর নেপথ্যে কাজ করছিল একটি বড় চক্র। এই দুর্নীতির শিকড় ধরে অনুসন্ধান চালিয়ে সিবিআই কানপুরের একটি বেসরকারি সংস্থার খোঁজ পায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওই সংস্থার দুই কর্ণধার মায়াঙ্ক আগরওয়াল এবং অক্ষত আগরওয়ালের বিরুদ্ধেও একটি এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে। অভিযোগ, কর্নেল বালির প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে এই ব্যবসায়ীরা অনৈতিকভাবে আর্থিক ফায়দা লুটছিলেন।

প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রভাব

সেনাবাহিনীর মতো একটি সংবেদনশীল ও শৃঙ্খলাপরায়ণ সংস্থায় এই ধরনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে অত্যন্ত উদ্বেগের। এই গ্রেফতারির ফলে ইস্টার্ন কমান্ডের বর্তমান ও অতীত বেশ কিছু টেন্ডার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা এখন বড়সড় প্রশ্নের মুখে। সিবিআই সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে যে, এই কেলেঙ্কারির জাল আরও গভীরে বিস্তৃত হতে পারে এবং আগামী দিনে সেনা সরবরাহ ব্যবস্থার সাথে যুক্ত আরও কয়েকজন আধিকারিক ও বেসরকারি ব্যবসায়ীকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হতে পারে।

এক ঝলকে

  • কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামের ইস্টার্ন কমান্ডের সেনা কর্নেল হিমাংশু বালি-কে গ্রেফতার করল সিবিআই।
  • তাঁর বিরুদ্ধে টেন্ডার পাইয়ে দেওয়া ও বিল পাসের বিনিময়ে ৫০ লক্ষ টাকার ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
  • এই দুর্নীতি চক্রে জড়িত থাকার অপরাধে কানপুরের এক বেসরকারি সংস্থার দুই কর্ণধার মায়াঙ্ক ও অক্ষত আগরওয়ালের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।
  • এই ঘটনার জেরে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ টেন্ডার প্রক্রিয়া এবং সরবরাহ ব্যবস্থার নিরাপত্তা ও স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *