৮ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা ইডি অফিসে! দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে কী বললেন মদন মিত্র? – এবেলা

৮ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরা ইডি অফিসে! দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে কী বললেন মদন মিত্র? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির দপ্তরে ম্যারাথন জেরা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। বুধবার সিজিও কমপ্লেক্সে প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। ইডি অফিস থেকে বেরিয়ে মদন মিত্র দাবি করেন, তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ কোনও বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত নন এবং তদন্তে তিনি সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছেন।

৮ ঘণ্টা ধরে জেরা ও মদন মিত্রের প্রতিক্রিয়া

বুধবার দুপুর ১২টা নাগাদ ইডি দপ্তরে প্রবেশ করেন মদন মিত্র। টানা ৭-৮ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর যখন তিনি বাইরে আসেন, তখন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান যে, তদন্তকারীদের চাওয়া সমস্ত তথ্য বা নথি তিনি যথাসম্ভব দিয়েছেন।

তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে পুনরায় তলব করা হয়েছে কি না, এই প্রশ্নের জবাবে মদন মিত্র জানান যে তাঁকে নতুন করে কিছু জানানো হয়নি। পাশাপাশি তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা চাইলেই তদন্ত করতে পারে। আমাদের কর্তব্য তাঁদের সাহায্য করা। ওরা যা যা নথি চেয়েছে, দিয়েছি। জন্ম ও মৃত্যুর সার্টিফিকেট ছাড়া সব দিয়ে এসেছি।” তাঁর আরও দাবি, তিনি বা তাঁর পরিবারের কেউ কোনও দুর্নীতির সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে যুক্ত নন।

কেন তলব করা হয়েছিল মদন মিত্রকে?

দীর্ঘদিন ধরেই পুরনিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। এই মামলাতেই নাম জড়ায় কামারহাটির বিধায়কের। গত জুন মাসে মদন মিত্রের দক্ষিণেশ্বর এবং ভবানীপুর বাড়িতে একযোগে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সেই সময় তাঁর বাড়ি থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র উদ্ধার হয় বলে জানা যায়।

এর পরেই একে একে মদন মিত্রের পরিবারের সদস্যদের তলব করা শুরু করে ইডি:

  • ছোট ছেলে শুভরূপ মিত্র: সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিয়ে প্রায় ৯ ঘণ্টা ইডি আধিকারিকদের মুখোমুখি হন।
  • বড় ছেলে স্বরূপ মিত্র: ছোট ছেলের পর ইডি দপ্তরে হাজিরা দেন তিনি।
  • স্ত্রী অর্চনা মিত্র: এরপর ইডি দপ্তরে হাজিরা দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হন মদন পত্নী অর্চনা মিত্রও।

পরিবারের বাকি সদস্যদের পর খোদ বিধায়ককে দীর্ঘক্ষণ জেরা করার পর এই দুর্নীতির তদন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *