অপারেশন এপিক ফিউরি: ট্রাম্পের নিশানায় ইরান, অগ্নিগর্ভ বিশ্ব!

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান অভিমুখে আমেরিকা ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরুর পর থেকে বিশ্বজুড়ে তীব্র জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। অভিযানের প্রতিক্রিয়ায় ইরান কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অবরুদ্ধ করায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল স্থবির হয়ে পড়েছে এবং কাতার তাদের গ্যাস উৎপাদন বন্ধ রেখেছে। এর প্রভাবে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। এছাড়া আমেরিকায় মাত্র ছয় সপ্তাহের ব্যবধানে পেট্রোলের দাম গ্যালন প্রতি ১ ডলার বেড়ে ৪.১০ ডলারে পৌঁছেছে।
এই সংঘাতের জেরে বিশ্ব শেয়ার বাজারেও বড় ধরনের ধস নেমেছে এবং মার্কিন শেয়ার সূচক ডাউ জোন্স ৮০০ পয়েন্ট হারিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বজায় রাখার লক্ষ্যে আমেরিকা ভারতকে রুশ তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের বিশেষ ছাড় দিয়েছে। এদিকে, হোয়াইট হাউস ইরানের পরমাণু হুমকি নির্মূলের যুক্তিতে এই অভিযানের পক্ষে অবস্থান নিলেও, ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করেছে। ইরান থেকে বিনা শর্তে আত্মসমর্পণের দাবি জানানো হলেও মার্কিন প্রেসিডেন্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে আরও বড় হামলার হুমকি দিয়েছেন।
