অসহনীয় ভ্যাপসা গরমে সাময়িক স্বস্তি, আজ কি ভিজবে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গ? – এবেলা
/indian-express-bangla/media/media_files/2024/10/20/Go984FJWJ6HJBE0bAC6i.jpg?ssl=1)
এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে বর্ষা প্রবেশ করলেও পিছু ছাড়ছে না অস্বস্তিকর ভ্যাপসা গরম। তবে এর মাঝেই আবহাওয়ার মেজাজে বড়সড় বদলের ইঙ্গিত দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। আজ রবিবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে, যা গরমের তীব্রতা থেকে রাজ্যবাসীকে সাময়িক স্বস্তি দিতে পারে। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টির কারণে জারি করা হয়েছে সতর্কতা।
দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস ও ভ্যাপসা গরমের দাপট
আবহাওয়া দফতরের সূত্র অনুযায়ী, আজ কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় আকাশ মূলত আংশিক মেঘলা থাকবে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়ভাবে মেঘ জমে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। কলকাতা ছাড়াও দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি, দুই বর্ধমান, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ এবং দুই ২৪ পরগনায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এই বৃষ্টির পূর্বাভাস সত্ত্বেও বাতাসে অত্যধিক আর্দ্রতার কারণে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি পুরোপুরি কমবে না। আজ কলকাতার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৮ থেকে ২৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ঘোরাফেরা করতে পারে। গতকালও শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের কাছাকাছি হলেও উচ্চ আর্দ্রতার কারণে দিনভর চরম অস্বস্তি বজায় ছিল।
উত্তরবঙ্গে ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ে ধসের আশঙ্কা
দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া অনেক বেশি বৃষ্টিমুখর থাকবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং উত্তর দিনাজপুরে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। লাগাতার এই বৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধস এবং রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে পাহাড়ি নদীগুলির জলস্তরের ওপর নজর রাখছে স্থানীয় প্রশাসন।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্ষা সক্রিয় হওয়ার কারণেই বায়ুমণ্ডলে এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির ফলে তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও বাতাসে জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় গরমের অনুভূতি এখনই কাটছে না। তবে সন্ধ্যার দিকে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনার কারণে অফিসফেরত যাত্রী ও সাধারণ মানুষকে ছাতা সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
