আগুনে ঘি মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার! গ্যাস-পেট্রোলের পর এবার কি অগ্নিমূল্য জীবনদায়ী ওষুধ? – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
জীবনদায়ী ওষুধের দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা! পকেটে টান পড়তে পারে সাধারণ মানুষের
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার জেরে এবার বড়সড় প্রভাব পড়তে চলেছে দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতায় গ্যাস ও পেট্রোলের পর এবার একলাফে অনেকটাই বাড়তে পারে জীবনদায়ী ও অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম। কাঁচামাল আমদানি এবং পরিবহন খরচ অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকার এই পরিস্থিতি সামাল দিতে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছে।
কেন এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি
মূলত বৈশ্বিক সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক স্তরে ওষুধের কাঁচামালের (এপিআই) সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। ফলে কাঁচামালের খরচ প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এর পাশাপাশি প্যাকেজিং সামগ্রী এবং সামগ্রিক পরিবহন ব্যয় একলাফে অনেকটা বেড়ে যাওয়ায় ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলো চরম সংকটের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতি বিবেচনা করে কেন্দ্র ৩৮৪টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম ‘আপৎকালীন বৃদ্ধির’ বিষয়টি সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে।
সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব ও ভবিষ্যৎ
প্যারাসিটামল, অ্যান্টিবায়োটিক ও ডায়াবেটিসের মতো অতি প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম বাড়লে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের চিকিৎসা ব্যয় একধাক্কায় অনেকটাই বেড়ে যাবে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে জানানো হয়েছে যে, ওষুধের এই মূল্যবৃদ্ধি কোনোভাবেই স্থায়ী হবে না। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা পুনর্গঠিত হলে ওষুধের দাম পুনরায় আগের মতো নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।
এক ঝলকে
- মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রভাবে গ্যাস ও পেট্রোলের পর এবার ৩৮4টি জীবনদায়ী ওষুধের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
- আন্তর্জাতিক বাজারে ওষুধের কাঁচামালের খরচ প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
- কাঁচামালের পাশাপাশি ওষুধের প্যাকেজিং এবং পরিবহন সংক্রান্ত ব্যয়ও একলাফে অনেকটা বেড়েছে।
- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ওষুধের বর্ধিত দাম পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আনা হবে বলে কেন্দ্রের আশ্বাস।
