আঠারো লক্ষ টাকায় মিলত চাকরি, তৃণমূল নেতার বিস্ফোরক দাবিতে শোরগোল – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। এবার দলের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি এবং আর্থিক তছরুপ নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য কমিটির প্রভাবশালী নেতা দেবজ্যিৎ সরকার ওরফে ডিস্কো। তাঁর দাবি, দলেরই একাংশ টাকার বিনিময়ে সরকারি চাকরি এবং দলীয় পদ বিক্রি করার এক বিশাল চক্র গড়ে তুলেছিল। জলপাইগুড়ির এই নেতার মন্তব্যে এখন রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ক্যামাক স্ট্রিট ও দুর্নীতির যোগসূত্র
দেবজ্যিৎ সরকারের অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁকে খাদ্য দপ্তরের ‘ফুড সাপ্লায়ার’ পদে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৮ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল। শুধু সরকারি চাকরিই নয়, ছাত্র পরিষদের জেলা স্তরের পদ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়েও চাওয়া হয়েছিল ১৪ লক্ষ টাকা। দেবজ্যিতের দাবি, এই সমস্ত অবৈধ লেনদেনের নির্দেশ আসত সরাসরি কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিট থেকে। প্রতীক জৈন নামক জনৈক ব্যক্তির নাম করে এই বিপুল অর্থ চাওয়া হতো বলে তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন।
দলীয় নিষ্ক্রিয়তা ও ভবিষ্যতের প্রভাব
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন দেবজ্যিৎ। তাঁর মতে, দলের একনিষ্ঠ কর্মীরা আক্রান্ত হলে শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁদের পাশে দাঁড়ায় না। এমনকি জলপাইগুড়ি পুরসভার কাজেও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন পদাধিকারী নেতার মুখে এমন স্বীকারোক্তি দলের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কাঠামোয় দুর্নীতির শিকড় অনেক গভীরে, যা আগামীর জনসমর্থনে বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এক ঝলকে
- তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা দেবজ্যিৎ সরকার চাকরির বিনিময়ে ১৮ লক্ষ টাকা চাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
- দুর্নীতির এই টাকা লেনদেনের জন্য সরাসরি কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিট থেকে ফোন আসত বলে তাঁর দাবি।
- সরকারি চাকরির পাশাপাশি দলীয় পদ পাইয়ে দেওয়ার জন্যও বিপুল অঙ্কের টাকা চাওয়া হতো।
- প্রতিবাদ করায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলে পুরসভার কাজেও দুর্নীতির ইঙ্গিত দিয়েছেন এই নেতা।
রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে জমে থাকা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে। এবার দলের অভ্যন্তরীণ দুর্নীতি এবং আর্থিক তছরুপ নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের রাজ্য কমিটির প্রভাবশালী নেতা দেবজ্যিৎ সরকার ওরফে ডিস্কো। তাঁর দাবি, দলেরই একাংশ টাকার বিনিময়ে সরকারি চাকরি এবং দলীয় পদ বিক্রি করার এক বিশাল চক্র গড়ে তুলেছিল। জলপাইগুড়ির এই নেতার মন্তব্যে এখন রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে।
ক্যামাক স্ট্রিট ও দুর্নীতির যোগসূত্র
দেবজ্যিৎ সরকারের অভিযোগ অনুযায়ী, তাঁকে খাদ্য দপ্তরের ‘ফুড সাপ্লায়ার’ পদে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১৮ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল। শুধু সরকারি চাকরিই নয়, ছাত্র পরিষদের জেলা স্তরের পদ পাইয়ে দেওয়ার বিনিময়েও চাওয়া হয়েছিল ১৪ লক্ষ টাকা। দেবজ্যিতের দাবি, এই সমস্ত অবৈধ লেনদেনের নির্দেশ আসত সরাসরি কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিট থেকে। প্রতীক জৈন নামক জনৈক ব্যক্তির নাম করে এই বিপুল অর্থ চাওয়া হতো বলে তিনি বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন।
দলীয় নিষ্ক্রিয়তা ও ভবিষ্যতের প্রভাব
দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হওয়ায় তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন দেবজ্যিৎ। তাঁর মতে, দলের একনিষ্ঠ কর্মীরা আক্রান্ত হলে শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁদের পাশে দাঁড়ায় না। এমনকি জলপাইগুড়ি পুরসভার কাজেও ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন তিনি। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন পদাধিকারী নেতার মুখে এমন স্বীকারোক্তি দলের ভাবমূর্তিকে চরম সংকটে ফেলেছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে যে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কাঠামোয় দুর্নীতির শিকড় অনেক গভীরে, যা আগামীর জনসমর্থনে বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে।
এক ঝলকে
- তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা দেবজ্যিৎ সরকার চাকরির বিনিময়ে ১৮ লক্ষ টাকা চাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
- দুর্নীতির এই টাকা লেনদেনের জন্য সরাসরি কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিট থেকে ফোন আসত বলে তাঁর দাবি।
- সরকারি চাকরির পাশাপাশি দলীয় পদ পাইয়ে দেওয়ার জন্যও বিপুল অঙ্কের টাকা চাওয়া হতো।
- প্রতিবাদ করায় মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ তুলে পুরসভার কাজেও দুর্নীতির ইঙ্গিত দিয়েছেন এই নেতা।
