“আমাকে ভদ্রতার পাঠ শেখাতে আসবেন না!” মমতার গাড়ি হামলা ইস্যুতে বিলোফোর দিলীপ, অস্বস্তিতে রাজনীতি – এবেলা

“আমাকে ভদ্রতার পাঠ শেখাতে আসবেন না!” মমতার গাড়ি হামলা ইস্যুতে বিলোফোর দিলীপ, অস্বস্তিতে রাজনীতি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

নিজস্ব সংবাদদাতা: হালিশহরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভের ঘটনায় রাজ্য রাজনীতিতে তাপমাত্রার পারদ এখন ঊর্ধ্বমুখী। ঘটনাটি নিয়ে তৃণমূল বিজেপির দিকে আঙুল তুললেও, বিজেপির রাজ্য নেতা শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে এই হামলার সঙ্গে তাদের দলের কোনো সম্পর্ক নেই এবং তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দাও জানান। তবে দলের এই অবস্থানের ঠিক বিপরীত সুর শোনা গেল বিজেপির প্রবীণ নেতা দিলীপ ঘোষের কণ্ঠে।

হালিশহরের ঘটনায় বিন্দুমাত্র অন্যায় দেখছেন না দিলীপ ঘোষ। অতীতের রাজনৈতিক হিংসার স্মৃতি উসকে তিনি বলেন, বিরোধী দলে থাকাকালীন তাঁর এবং দলের কর্মীদের ওপর অকথ্য অত্যাচার চালানো হয়েছিল। তাঁর গাড়ি একাধিকবার ভাঙচুর করা হয়েছে, আজও তাঁর শরীরে ইটের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করে দিলীপ প্রশ্ন তোলেন:

“কুণাল ঘোষ যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘ডাকাত রানি’ বলেছিলেন, তখন তিনি দলে প্রমোশন পেয়ে মুখপাত্র ও সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। আর আজ সাধারণ মানুষ সেই একই কথা বললে তা অপরাধ হয়ে যাচ্ছে কীভাবে? সাধারণ মানুষ তো ওখান থেকেই অনুপ্রেরণা পেয়েছে!”

শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে তাঁর মতপার্থক্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, শমীক পার্টির অফিসিয়াল নীতির কথা বলেছেন আর তিনি নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন—দুটোই ঠিক। একই সঙ্গে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি যোগ করেন, গত ১০ বছর ধরে লড়াই করে তিনি এখানে পৌঁছেছেন, তাই তাঁকে যেন কেউ নতুন করে ‘সৌজন্য’ বা ‘মানবতা’র পাঠ শেখাতে না আসে।

হালিশহরের এই ঘটনায় দলের দুই শীর্ষ নেতার দুই ভিন্ন মেরুর অবস্থান বর্তমানে রাজ্য রাজনীতির প্রধান চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *