“আমি মায়ামির ছেলে, তাও এই গরম…” দিল্লির ‘হাই টেম্পারেচার’ দেখে থমকালেন ট্রাম্পের মন্ত্রী! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দিল্লির তীব্র গরমে নাজেহাল মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রথম ভারত সফরে এসেমঞ্চেই রসিকতা
ভারতের রাজধানী দিল্লির বর্তমান পরিস্থিতি চাতক পাখির মতো চাতকদশা—তীব্র ও রেকর্ড ভাঙা দাবদাহে পুড়ছে গোটা শহর। এই আবহে নিজের প্রথম সরকারি ভারত সফরে এসে দিল্লির এই ‘হাই টেম্পারেচার’-এর ধাক্কা থেকে বাঁচতে পারলেন না খোদ আমেরিকার নতুন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও (Marco Rubio)। তীব্র গরমের চোটে মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠেই দিল্লির আবহাওয়া নিয়ে মজাদার তঞ্জ বা চুটকি কাটলেন তিনি, যা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ভাইরাল।
“আমি মিয়ামির ছেলে, গরম বুঝি…”
শনিবার দিল্লিতে আমেরিকার নতুন কনসুলেট অফিসের (US Consulate Office) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী। মঞ্চে মাইক্রোফোন হাতে নিয়েই তিনি হেসে বলেন:
“আজ এখানে আসতে পারাটা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। তবে আমি আমার বক্তব্য খুব সংক্ষেপেই শেষ করতে চাই, কারণ এখানে আসাম্ভব গরম। সত্যি বলতে, বড্ড বেশি গরম।”
নিজের হোমটাউন বা গৃহশহরের প্রসঙ্গ টেনে রুবিও আরও বলেন, “তবে এখানে আমাদের মিয়ামির মতো ভ্যাপসা আর্দ্রতা (Humidity) নেই। আমি মিয়ামি থেকে এসেছি, তাই আর্দ্রতাজনিত গরম আর এই শুকনো রোদের তীব্র দাবদাহের মধ্যে তফাতটা খুব ভালো করেই বুঝি। আচ্ছা, এখন ঘড়িতে ক’টা বাজে? এতক্ষণে তো আবহাওয়া কিছুটা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার কথা ছিল!” তাঁর এই রসিকতায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শক ও আধিকারিকদের মধ্যে হাসির রোল ওঠে।
নতুন কনসুলেট অফিসের প্রশংসা
মার্কিন বিদেশমন্ত্রী জানান, এই তীব্র গরমে তিনি উপস্থিত মানুষদের আর বেশি সময় দাঁড় করিয়ে কষ্ট দিতে চান না। এরপর তিনি দিল্লির এই নতুন মার্কিন কনসুলেট দপ্তরের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, এই আধুনিক পরিকাঠামোটি তৈরি হওয়ায় আমেরিকার সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের অনেক টাকা বেঁচেছে এবং এর ফলে ভারত-আমেরিকা কূটনৈতিক কাজকর্ম আগের চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে করা সম্ভব হবে। এটি শুধু ভারতীয়দের ভিসার জন্যই নয়, বরং দেশের সুরক্ষায় দিনরাত কাজ করা মার্কিন কর্মকর্তাদের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক ঘাঁটি হতে চলেছে।
বিদেশমন্ত্রী হিসেবে প্রথম ভারত সফর ও মোদীর সঙ্গে বৈঠক
আমেরিকার বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর মার্কো রুবিও-র এটিই প্রথম অফিশিয়াল ভারত সফর। দিল্লিতে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এক হাই-প্রোফাইল বৈঠকে মিলিত হন। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক নিরাপত্তা, বিশ্ব বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এবং নতুন প্রযুক্তির (AI & Tech Transfer) আদানপ্রদানের মতো একাধিক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মেগা বৈঠকের পর, এটিই ছিল দুই দেশের মধ্যে প্রথম কোনো বড় ও উচ্চপর্যায়ের (High-Level) কূটনৈতিক বৈঠক।
दिल्ली की गर्मी बर्दाश्त नहीं कर पाए मार्को रुबियो
दिल्ली की चिलचिलाती गर्मी और हीटवेव के आगे अमेरिकी विदेश मंत्री मार्को रुबियो ने हार मानते हुए अपनी प्रेस कॉन्फ्रेंस को छोटा कर दिया।
रुबियो ने मजाक में कहा, ‘आज यहां होना सम्मान की बात है। मैं इस कार्यक्रम को संक्षिप्त रखना… pic.twitter.com/DygWwlue1l
— RT Hindi (@RT_hindi_) May 23, 2026
এক ঝলকে
- আমেরিকার বিদেশমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার ভারত সফরে এলেন মার্কো রুবিও।
- দিল্লির তীব্র গরমে নাজেহাল মার্কিন বিদেশমন্ত্রী; মিয়ামির গরমের সাথে তুলনা করে নতুন মার্কিন কনসুলেটর মঞ্চে রসিকতা রুবিও-র।
- দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলল হাই-প্রোফাইল বৈঠক।
- নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও নতুন প্রযুক্তির আদানপ্রদান নিয়ে ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত করার বার্তা।
