“আসল তৃণমূল” কে? দ্রুত সিদ্ধান্ত নিক কমিশন, তোপ মমতার – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
কলকাতা: ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ কারা—মমতাপন্থী শিবির নাকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির, তা নিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা অব্যাহত। এই পরিস্থিতিতে বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করতে নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় চিঠি দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, বারবার সময় চেয়ে বিরোধীরা আসলে সময় নষ্ট করছেন এবং মিথ্যা প্রমাণ তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন।
খবরের হাইলাইটস:
- কমিশনের কাছে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আর্জি: ২৫ জুলাইয়ের বর্ধিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরও ঋতব্রত শিবিরের পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর মেলেনি বলে দাবি মমতার।
- ঋতব্রত শিবিরকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রথমে ১০ জুলাই এবং পরে আরও সময় বাড়িয়ে ২৫ জুলাই পর্যন্ত সুযোগ দিয়েছে।
- আইনি লড়াইয়ের তীব্রতা: বিধায়ক সংখ্যার বিচারে ঋতব্রত শিবির কিছুটা এগিয়ে থাকলেও, পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের আসল উত্তরাধিকার কার হাতে, তা নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াই এখন চরমে।
বিস্তারিত বিবরণ:
গত ২২ জুন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো একটি চিঠির সূত্র ধরেই এই রাজনৈতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয়। সেই চিঠির ভিত্তিতে গত ২ জুলাই নির্বাচন কমিশন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে জবাব তলব করে। ৬ জুলাইয়ের মধ্যে মমতা তাঁর জবাব কমিশনে জমা দেন।
মমতার অভিযোগ, বিরোধীদের কাছে তাঁর যুক্তির কোনো পালটা জবাব না থাকায় তারা বারবার সময় বাড়ানোর আবেদন করছে। এই অতিরিক্ত সময় পাওয়ার ফলে ঋতব্রত শিবির ভিত্তিহীন অভিযোগ ও মিথ্যা সাক্ষ্যপ্রমাণ তৈরির সুযোগ পাচ্ছে বলে তাঁর দাবি। এই রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে উল্লেখ করে, বিচারব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা বজায় রাখতে কমিশনকে দ্রুত তদন্ত শেষ করার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
