উৎসবের মুখেই হকারদের বড় জয়! ‘বিকল্প জায়গা দাও, না হলে হেনস্থা নয়’—হুঙ্কার NHRC-র – এবেলা

উৎসবের মুখেই হকারদের বড় জয়! ‘বিকল্প জায়গা দাও, না হলে হেনস্থা নয়’—হুঙ্কার NHRC-র – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

উৎসবের মরশুমে হকার ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মুখে হাসি! হকার উচ্ছেদ ও হেনস্থা নিয়ে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য কড়া নির্দেশ জারি করল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (NHRC)। কমিশনের স্পষ্ট বার্তা—বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা না করে কোনও হকারকে জোর করে সরানো বা উচ্ছেদ করা যাবে না।

সামনেই দুর্গাপুজো, নবরাত্রি, কালীপুজো, দেওয়ালি, ছটপুজো থেকে শুরু করে ক্রিসমাস। উৎসবের এই মরশুমেই রাস্তায় ধারের ছোটখাটো বিক্রেতা, ফেরিওয়ালা, কুমোর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বছরের মূল উপার্জনটুকু হয়। কিন্তু সম্প্রতি কলকাতা সহ দেশের একাধিক শহরে পুরসভা ও পুলিশের হকার উচ্ছেদ অভিযান তীব্র রূপ নেয়। এই পরিস্থিতিতেই হকার ও ছোট ব্যবসায়ীদের রুটিরুজি এবং মানবাধিকার রক্ষায় ঢাল হয়ে দাঁড়াল জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

মানবাধিকার কমিশনের মূল নির্দেশিকাগুলি এক নজরে:

  • বিকল্প ছাড়া উচ্ছেদ নয়: অগ্নিনিরাপত্তা বা জনস্বার্থের কারণে যদি কোনও নির্দিষ্ট ফুটপাথ বা জায়গা খালি করতেই হয়, তবে সংশ্লিষ্ট হকারদের আগে উপযুক্ত বিকল্প জায়গা দিতে হবে।
  • হেনস্থা বা পণ্য বাজেয়াপ্ত বন্ধ: হকারদের পণ্য বাজেয়াপ্ত করা, অযথা জরিমানা করা বা হেনস্থা করা একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না।
  • তোলাবাজিতে কড়া পদক্ষেপ: হকারদের থেকে বেআইনি তোলাবাজি বা চাপ সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠলেই কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
  • ‘ভোকেল ফর লোকাল’-কে প্রাধান্য: স্থানীয় পণ্য উৎপাদনকারী, ঐতিহ্যবাহী পেশাদার ও ক্ষুদ্র বিক্রেতাদের উৎসাহিত করতে প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য প্রিয়াঙ্ক কানুনগোর নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে। সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্যসচিবদের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে, যাতে জেলাশাসক, পুলিশ কমিশনার, পুরসভা এবং স্থানীয় আধিকারিকদের মাধ্যমে এই নির্দেশিকা দ্রুত ও যথাযথভাবে কার্যকর করা হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *