এক চড় থেকেই চরম সর্বনাশ! স্ত্রীর গায়ে হাত তোলায় কুয়োয় ঝাঁপ দিলেন মহিলা, বাঁচাতে নেমে স্বামী ও দেবরেরও করুণ পরিণতি – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
রাজস্থানের ডিগ জেলার বাদীপুর গ্রামে একটি তুচ্ছ পারিবারিক বিবাদ থেকে ঘটে গেল ভয়াবহ ট্র্যাজেডি। মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে চড় মারার জেরে ওই নারী কুয়োয় ঝাঁপ দেন। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে কুয়োর বিষাক্ত গ্যাস ও কাদার কবলে পড়ে প্রাণ হারালেন স্বামী ও দেবর। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে একটি সাজানো পরিবারে নেমে এল অন্ধকারের ছায়া।
অভিশপ্ত কুয়ো ও প্রাণান্তকর চেষ্টা
সোমবার রাতে মদ্যপ অবস্থায় বাড়ি ফেরা নিয়ে ২৫ বছর বয়সী রবীন্দ্রর সঙ্গে তার স্ত্রী মহিন্দ্রার কথা কাটাকাটি হয়। উত্তেজনার বশে রবীন্দ্র স্ত্রীকে চড় মারলে অপমানে তিনি বাড়ির কাছের একটি পুরোনো কুয়োয় ঝাঁপ দেন। স্ত্রীকে বাঁচাতে রবীন্দ্র এবং তাদের উদ্ধার করতে ছোট ভাই রোহিতও (২১) পর্যায়ক্রমে কুয়োয় নামেন। কিন্তু দীর্ঘদিনের পরিত্যক্ত ওই কুয়োয় অক্সিজেন স্বল্পতা ও মাত্রাতিরিক্ত কাদা থাকায় দমবন্ধ হয়ে তিনজনেই সেখানে আটকে পড়েন।
আকস্মিক শোকের ছায়া
গ্রামবাসীরা দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রবীন্দ্র ও রোহিতকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন মহিন্দ্রা। উল্লেখ্য, রোহিত হরিয়ানার একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করতেন এবং ঘটনার দিন সকালেই ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। সামান্য একটি চড় যে এভাবে দুটি তরতাজা প্রাণ কেড়ে নেবে, তা কল্পনাও করতে পারছে না গ্রামবাসী।
এক ঝলকে
- পারিবারিক কলহের জেরে রাজস্থানের ডিগ জেলায় একই পরিবারের দুই যুবকের করুণ মৃত্যু।
- কুয়োয় ঝাঁপ দেওয়া স্ত্রীকে বাঁচাতে গিয়ে স্বামী ও দেবর প্রাণ হারান।
- পুরোনো কুয়োর বিষাক্ত গ্যাস ও কাদা এই দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
- মৃতদেহগুলোর ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে স্থানীয় পুলিশ।
