‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’: এবার স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডে ভিনরাজ্যের অতিথি ও রকমারি খাবারের মেলা! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধন আরও মজবুত করতে স্বাধীনতা দিবসের উদযাপনে বিশেষ উদ্যোগ নিল কেন্দ্র। এবার আর কেবল রাজ্যের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরাই নন, প্রতিটি রাজ্যের স্বাধীনতা দিবসের মূল অনুষ্ঠানে অন্য পাঁচটি রাজ্য বা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিরাও আমন্ত্রিত থাকবেন। সম্প্রতি কেন্দ্র সরকারের তরফে দেশের প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যসচিবকে চিঠি পাঠিয়ে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রের ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ কর্মসূচির আওতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উপলক্ষে মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি প্রতিটি রাজ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ভিনরাজ্যের খাবারের উৎসবের আয়োজন করতে বলা হয়েছে। তবে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেড রোডের অনুষ্ঠানে কোন ৫টি রাজ্যকে আমন্ত্রণ জানানো হবে, সে বিষয়ে নবান্নের তরফে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
স্বাধীনতা দিবস পালনের মূল গাইডলাইন
কেন্দ্রীয় সরকারের চিঠিতে জেলা থেকে পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত কীভাবে ১৫ আগস্ট উদযাপিত হবে, তার একটি স্পষ্ট রূপরেখা বেঁধে দেওয়া হয়েছে:
- অনুষ্ঠানের সময় ও পতাকা উত্তোলন: রাজ্য, জেলা, মহকুমা, ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েত— প্রতিটি স্তরেই সকাল ৯টার পর অনুষ্ঠান শুরু করতে হবে।
- রাজ্য স্তর: মুখ্যমন্ত্রী
- জেলা স্তর: সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, কমিশনার বা জেলাশাসক
- মহকুমা ও ব্লক স্তর: দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকগণ
- পঞ্চায়েত ও গ্রাম স্তর: পঞ্চায়েত প্রধান
- এক মাসের ‘স্বচ্ছ ভারত’ অভিযান: প্রতিটি রাজ্য ও জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে টানা এক মাস পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে। এই কর্মসূচিতে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, এনসিসি (NCC), এনএসএস (NSS), যুব ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত করতে বলা হয়েছে।
- পরিবেশ রক্ষা: বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির ওপর।
- ‘অ্যাট হোম’ অনুষ্ঠান: স্বাধীনতা দিবসের দিন সন্ধ্যা ৬টার পর রাজভবনে রাজ্যপালের উপস্থিতিতে ‘অ্যাট হোম’ সৌজন্যমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। সেখানে সাধারণ অতিথিদের পাশাপাশি এলাকার বিশেষ কৃতিত্ব অর্জনকারীদের জন্য ২৫ থেকে ৫০টি আসন সংরক্ষিত থাকবে। তালিকায় থাকবেন— পদ্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত, শহিদ পরিবার, অলিম্পিয়ান, বীরত্ব পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশু, স্বচ্ছতাকর্মী, শিক্ষক, স্বাস্থ্যকর্মী ও উদীয়মান গবেষকরা।
- সঙ্গীত ও দেশাত্মবোধ: দেশবাসীর মধ্যে দেশপ্রেম ও উদ্দীপনা বাড়াতে সারা দেশের প্রায় ৩৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ব্যান্ডের বিশেষ সংগীত অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
