‘ওদের বুঝতে দেব না যে আমি বিধায়ক নই’, ইস্তফা দিলেও নন্দীগ্রামের পাশেই শুভেন্দু – এবেলা

‘ওদের বুঝতে দেব না যে আমি বিধায়ক নই’, ইস্তফা দিলেও নন্দীগ্রামের পাশেই শুভেন্দু – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা মেনে নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনটি ছেড়ে দেওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আসন ছাড়লেও নিজের পুরনো নির্বাচনি ক্ষেত্রের মানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা যে বিন্দুমাত্র কমবে না, সেই বার্তাই আজ স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারীর এই সিদ্ধান্তে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক সমীকরণে এক নতুন মোড় তৈরি হলো।

আসন ছাড়ার নেপথ্যে সাংবিধানিক কারণ

নিয়ম অনুযায়ী, কোনো জনপ্রতিনিধি একাধিক আসনে জয়লাভ করলে বা প্রশাসনিক উচ্চতর পদে আসীন হলে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি আসন তাঁকে ছেড়ে দিতে হয়। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর সাংবিধানিক সেই নিয়ম পালনেই নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। তবে এই সিদ্ধান্ত নিছকই প্রশাসনিক দায়বদ্ধতা বলে অভিহিত করেছেন তিনি।

সম্পর্ক ছিন্ন নয়, বজায় থাকবে দায়বদ্ধতা

আসন ছাড়া প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী আবেগপ্রবণ কণ্ঠে জানান যে, নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং অত্যন্ত আত্মিক। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, “আগামী পাঁচ বছর ওদের বুঝতে দেব না যে আমি ওদের বিধায়ক নই।” শুভেন্দুর এই মন্তব্যে এটি পরিষ্কার যে, বিধায়ক পদ না থাকলেও এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানে তিনি সরাসরি সক্রিয় থাকবেন।

এই সিদ্ধান্তের ফলে নন্দীগ্রামের উন্নয়নের গতিপ্রকৃতি বা প্রশাসনিক সমন্বয় কীভাবে বজায় থাকে, এখন সেটাই দেখার বিষয়। তবে মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তা তাঁর পুরনো কেন্দ্রের ভোটারদের আশ্বস্ত করার পাশাপাশি রাজনৈতিক মহলেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *