কমে যাচ্ছে পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা! বাবা হওয়ার স্বপ্নপূরণে বড় বাধা হতে পারে স্পার্ম কাউন্ট – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বর্তমানের অনিয়মিত জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের কারণে পুরুষদের মধ্যে প্রজনন ক্ষমতা বা ফার্টিলিটির সমস্যা প্রকট হয়ে উঠছে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, একজন পুরুষের বাবা হওয়ার সক্ষমতা মূলত নির্ভর করে তার স্পার্ম কাউন্টের ওপর। এই সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট মাত্রার নিচে নেমে গেলে স্বাভাবিক উপায়ে সন্তান ধারণে জটিলতা তৈরি হয়, যা অনেক ক্ষেত্রে দাম্পত্য জীবনে মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
ঝুঁকির মাত্রা ও ওলিগোস্পার্মিয়া
সাধারণত একজন সুস্থ পুরুষের প্রতি মিলিলিটার বীর্যে ১৫ মিলিয়ন থেকে ২০০ মিলিয়ন পর্যন্ত স্পার্ম থাকে। কিন্তু এই সংখ্যা যদি প্রতি মিলিলিটারে ১৫ মিলিয়নের নিচে নেমে যায়, তবে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় তাকে ‘ওলিগোস্পার্মিয়া’ বলা হয়। স্পার্ম কাউন্ট এই সীমার নিচে থাকলে প্রজনন ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়, যাকে পুরুষদের ইনফার্টিলিটির অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে গণ্য করা হয়।
প্রতিকার ও ডায়েটের ভূমিকা
শরীরে স্পার্ম কাউন্ট বাড়ানোর জন্য পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। চিকিৎসকরা ভিটামিন সি, ডি, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রচুর পরিমাণে তাজা ফলমূল, সবুজ শাকসবজি, বিভিন্ন ধরনের বাদাম এবং দানাদার শস্য বা হোল গ্রেইন রাখলে স্পার্ম কাউন্টের গুণগত মান ও সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। সঠিক সময়ে স্বাস্থ্যকর জীবনধারা গ্রহণ করলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
এক ঝলকে
- প্রতি মিলিলিটারে ১৫ মিলিয়নের কম স্পার্ম কাউন্ট পুরুষদের বন্ধ্যাত্বের প্রধান কারণ।
- স্পার্ম কাউন্ট স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়ার এই শারীরিক অবস্থাকে ‘ওলিগোস্পার্মিয়া’ বলা হয়।
- একজন সুস্থ পুরুষের স্বাভাবিক স্পার্ম কাউন্ট ১৫ থেকে ২০০ মিলিয়নের মধ্যে থাকা প্রয়োজন।
- নিয়মিত জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার স্পার্ম কাউন্ট বাড়াতে সহায়ক।
