‘করো অথবা মরো’, ভারত ছাড়ো আন্দোলনের বীরদের স্মরণ মোদীর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
১৯৪২ সালের ঐতিহাসিক ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের বীর শহীদ ও মহাত্মা গান্ধীকে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ (X) দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, এই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের সাহস ও ত্যাগ প্রতিটি ভারতীয়কে চিরকাল অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৪২ সালের ৯ অগাস্ট শুরু হওয়া এই আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে এক নতুন শক্তির সঞ্চার করেছিল। ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য দেশবাসীর যে দৃঢ় সংকল্প ছিল, এই আন্দোলন সেটাই স্পষ্ট করে দিয়েছিল।
ভারত ছাড়ো আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব:
- ব্রিটিশ শাসনের অন্তিম সূচনা: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে গান্ধীজি ও জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের মূল দাবি ছিল ভারতে ব্রিটিশ শাসনের অবসান। এই গণআন্দোলনের পরই ইংরেজ সরকার বুঝতে পেরেছিল যে ভারতের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা আর সম্ভব নয়।
- গান্ধীজির বার্তা: মহাত্মা গান্ধী অহিংস গণবিক্ষোভের ডাক দিয়ে ব্রিটিশদের সুশৃঙ্খলভাবে ভারত ছাড়ার আহ্বান জানান। তিনি দেশবাসীকে নিজের পথপ্রদর্শক হয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেন।
- ‘করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে’ ডাক: মুম্বাইয়ের ঐতিহাসিক গোয়ালিয়া ট্যাঙ্ক ময়দান থেকে গান্ধীজি তাঁর বিখ্যাত স্লোগান “করো অথবা মরো” (করেঙ্গে ইয়া মরেঙ্গে)-র ডাক দেন।
আজও ৯ অগাস্ট দিনটিকে দেশজুড়ে “অগাস্ট ক্রান্তি দিবস” হিসেবে শ্রদ্ধাভরে পালন করা হয়। নির্মম অত্যাচার ও কারাবাস সহ্য করেও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সেই আত্মত্যাগই শেষ পর্যন্ত ১৯৪৭ সালে ভারতকে স্বাধীনতার আলো দেখিয়েছিল।
