কোরীয় ঝড়ে কুপোকাত চেক প্রজাতন্ত্র! দুরন্ত জয়ে বিশ্বকাপে এশীয় চমক – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও এশীয় ফুটবলের জয়জয়কার। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে মূল্যবান তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নিল দক্ষিণ কোরিয়া। প্রথমে পিছিয়ে পড়েও দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনার এই ঘটনা প্রমাণ করল কোরীয় ফুটবলের হার না মানা মানসিকতা। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও দ্বিতীয়ার্ধে মোট তিনটি গোল ফুটবলপ্রেমীদের উপহার দিল এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ।
পিছিয়ে পড়েও রাজকীয় প্রত্যাবর্তন
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলের লড়াইয়ে কয়েক যোজন এগিয়ে ছিল দক্ষিণ কোরিয়া। হাওয়াং ও লি-দের দাপটে একের পর এক আক্রমণের ঝড় উঠলেও প্রথমার্ধে কোনো দলই জালের দেখা পায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের ৫৯ মিনিটে অনবদ্য থ্রো-ইন থেকে লাদিস্লাভ ক্রেজচির হেডে চেক প্রজাতন্ত্র এগিয়ে গেলে কোরিয়া শিবিরে হতাশা নেমে আসে। তবে এই গোলটিই যেন কোরিয়ানদের আক্রমণের ধার বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। ৬৭ মিনিটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করে হাওয়াংয়ের নিপুণ শটে সমতায় ফেরে দক্ষিণ কোরিয়া। এরপর ৮০ মিনিটে হাইঅনের নেওয়া শট সরাসরি তেকাঠিতে জড়ালে জয় নিশ্চিত হয় এশীয় দলটির।
গ্যালারির সমর্থন ও সম্ভাব্য প্রভাব
মার্কিন লিগে খেলা কোরীয় অধিনায়ক সন হিউং মিনের আশা ছিল স্থানীয় মেক্সিকান দর্শকদের সমর্থন পাওয়ার এবং বাস্তবে পুরো স্টেডিয়াম গলা ফাটিয়েছে কোরিয়ার হয়েই। দর্শকদের এই বিপুল সমর্থন খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে অনুঘটকের কাজ করেছে। ২০০২ বিশ্বকাপের পর থেকে ধারাবাহিকতার অভাব এবং গত বিশ্বকাপে ব্রাজিলের কাছে বড় হারের পর, এই জয় দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। টুর্নামেন্টের শুরুতেই এমন মানসিক দৃঢ়তা ও কৌশলগত আগ্রাসন নকআউট পর্বে যাওয়ার পথে তাদের অনেকটাই এগিয়ে দিল এবং বিশ্বমঞ্চে অন্যান্য শক্তিশালী দলগুলোর কাছে একটি বড় সতর্কবার্তা পৌঁছে দিল।
