কৌশিকী-শান-শান্তনুদের সুরে মাতল ইডেন: দেবীপক্ষের সূচনায় ক্রিকেটের নন্দনকানন পেল সাংস্কৃতিক রূপ! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দেবীপক্ষের সূচনায় উৎসবের রং, আলো আর সুরে সেজে উঠেছিল ইডেন গার্ডেন্স। ক্রিকেটের নন্দনকাননে এ দিন ব্যাট-বলের লড়াইয়ের বদলে মঞ্চ জুড়ে ছিল নাচ, গান ও এক বর্ণাঢ্য আয়োজন। লেজার শোয়ের চোখধাঁধানো আলোয় সম্পূর্ণ অন্য রূপে ধরা দিল ঐতিহাসিক এই ইডেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ রাজ্যের বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রীরা। তারকা শিল্পীদের উপস্থিতি এবং মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশনায় দেবীপক্ষের সূচনার এই সন্ধ্যা হয়ে ওঠে আরও বেশি জমজমাট।
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সৌরসেনী মৈত্র। তাঁর সাবলীল সঞ্চালনায় একের পর এক পরিবেশনায় এগিয়ে চলে সন্ধ্যার আসর। সংগীতের মঞ্চে এ দিন সুরের জাদুতে মেতেছিলেন কৌশিকী চক্রবর্তী, অন্তরা মিত্র, শান্তনু মৈত্র, শান, দেবর্ষি ভট্টাচার্যের মতো প্রথিতযশা শিল্পীরা। সঙ্গে ছিল লোকসংগীতের জনপ্রিয় দল ‘দোহার’। তাঁদের গানে উৎসবের আমেজে যোগ হয় এক অন্য মাত্রা। বাংলার সংস্কৃতি, সংগীত ও বিনোদন জগতের মেলবন্ধনে ইডেনের এই আয়োজন দেবীপক্ষের সূচনাকে ঘিরে এক অনন্য আকর্ষণে পরিণত হয়।
শাস্ত্রীয় সংগীতের গভীরতা থেকে আধুনিক গানের আবেদন—বিভিন্ন ধারার শিল্পীদের উপস্থিতি এই সন্ধ্যাকে করে তোলে অত্যন্ত বৈচিত্র্যময়। পুজোর গান ও দেবী আরাধনার সুরের সঙ্গে শিল্পীদের পরিবেশনা মিলেমিশে তৈরি করে এক অপূর্ব উৎসবমুখর আবহ।
আলো-আঁধারির খেলা, রঙিন আলোর বিন্যাস এবং প্রযুক্তি নির্ভর উপস্থাপনায় অন্য রূপে ধরা দিয়েছিল ইডেন গার্ডেন্স। সাধারণত ক্রিকেট ম্যাচের উত্তেজনা, দর্শকদের উল্লাস এবং ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী থাকে এই মাঠ। কিন্তু দেবীপক্ষের সূচনায় সেই চেনা মাঠই হয়ে ওঠে এক বিশাল সাংস্কৃতিক উদ্যাপনের মঞ্চ। আলোর কারুকাজের সঙ্গে নাচ-গান ও দেবী বন্দনার মেলবন্ধন গোটা আয়োজনকে দিয়েছে এক মেগা ইভেন্টের রূপ।
