‘ক্ষমতায় এসেই জিটিএ-র সাফাই অভিযান!’ পাহাড়ের দুর্নীতি নিয়ে মমতার সরকারকে চরম হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর – এবেলা

‘ক্ষমতায় এসেই জিটিএ-র সাফাই অভিযান!’ পাহাড়ের দুর্নীতি নিয়ে মমতার সরকারকে চরম হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

পাহাড়ের জিটিএ দুর্নীতি নিয়ে এবার বড়সড় অ্যাকশনের ইঙ্গিত! মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এবার পাহাড়ের গোর্খাল্যান্ড টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বা জিটিএ (GTA) নিয়ে বড়সড় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে বিজেপি সরকার কার্যভার গ্রহণের পরপরই পাহাড়ের এই স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় হওয়া পূর্বতন আমলের যাবতীয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হবে বলে তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পর পাহাড় থেকে সমতল— সর্বত্রই রাজনৈতিক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

দুর্নীতির নেপথ্য কারণ ও ক্ষোভ

তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে জিটিএ-তে ব্যাপক নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে বলে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ তুলে আসছিল বিজেপি। বিরোধী আসনে থাকার সময় থেকেই গেরুয়া শিবিরের দাবি ছিল, পাহাড়ের বহু যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে বেআইনিভাবে চাকরি দেওয়া হয়েছে এবং তৎকালীন রাজ্য সরকার ইচ্ছা করে সেসব ধামাচাপা দিয়ে রেখেছে। এবার ক্ষমতায় এসেই সেই বঞ্চনার হিসাব নিতে কোমর বেঁধে নামছে নতুন সরকার।

পাহাড়ে সম্ভাব্য প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রভাব

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারির ফলে পাহাড়ে এক বড় ধরনের ‘সাফাই অভিযান’ বা প্রশাসনিক রদবদল ঘটতে চলেছে। এই তদন্ত শুরু হলে পাহাড়ের একাধিক হেভিওয়েট নেতা ও তৎকালীন প্রশাসনিক আধিকারিকরা বড়সড় আইনি বিপাকে পড়তে পারেন। একইসঙ্গে, দুর্নীতির তদন্তের মাধ্যমে পাহাড়ে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে এনে স্থানীয় জনমানসে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা আরও মজবুত করতে চাইছে শাসক দল।

এক ঝলকে

  • বিজেপি সরকার কাজ শুরু করতেই জিটিএ দুর্নীতির তদন্ত নামবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
  • তৃণমূল জমানায় পাহাড়ের জিটিএ নিয়োগে ব্যাপক দুর্নীতি ও তা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিল বিজেপি।
  • নতুন মুখ্যমন্ত্রীর এই কড়া বার্তার পর পাহাড়ে বড়সড় প্রশাসনিক ও আইনি ‘সাফাই অভিযান’-এর সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
  • এই পদক্ষেপের মাধ্যমে পাহাড়ের রাজনীতিতে পূর্বতন শাসক দলের ওপর চাপ আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *