গন্তব্যে নামিয়েও নিস্তার নেই, এবার র্যাপিডো চালকের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ!

দিল্লি থেকে গ্রেটার নয়ডা যাওয়ার পথে এক নারী যাত্রীকে ভয়াবহ হেনস্তার শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর দাবি, যাতায়াতের সময় চালক কেবল অভদ্র আচরণই করেননি, বরং রাইড শেষ হওয়ার পর দিনের পর দিন বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে তাঁকে উত্যক্ত করেছেন। এমনকি বাথরুম থেকে ভিডিও কল করার মতো চরম অশালীন কাজও করেছেন ওই চালক, যা নিয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন
ভুক্তভোগী নারী জানান, যাত্রাপথে চালক ক্রমাগত আপত্তিকর গান বাজানো এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কুরুচিপূর্ণ প্রশ্ন করে তাঁকে অস্বস্তিতে ফেলছিলেন। তবে আতঙ্ক আরও বাড়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর পর। ব্লক করে দেওয়ার পরেও চালক একাধিক নতুন নম্বর থেকে মেসেজ ও কল করতে থাকেন। দিনের পর দিন চলা এই মানসিক নির্যাতনে ওই নারী ভেঙে পড়েন এবং শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার খাতিরে বিষয়টি জনসমক্ষে আনার সিদ্ধান্ত নেন।
কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর রাইড শেয়ারিং সংস্থা ‘র্যাপিডো’ দুঃখপ্রকাশ করে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে। সাধারণত এই ধরনের অ্যাপে যাত্রীদের ফোন নম্বর গোপন (মাস্কিং) রাখার ব্যবস্থা থাকলেও, কীভাবে ওই চালক নম্বরটি সংগ্রহ করলেন তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এই ঘটনাটি অ্যাপ-ভিত্তিক পরিবহন পরিষেবাগুলোতে নারীদের ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা এবং অনবোর্ড নিরাপত্তার ফাঁকফোকরগুলো আবারও স্পষ্ট করে দিল।
এক ঝলকে
- দিল্লি-নয়ডা রুটে র্যাপিডো চালকের বিরুদ্ধে নারী যাত্রীকে লাগাতার হেনস্তার অভিযোগ।
- রাইড শেষে দিনের পর দিন উত্যক্ত করা এবং বাথরুম থেকে ভিডিও কল করার চাঞ্চল্যকর দাবি।
- ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস হওয়া এবং অ্যাপের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে নেটিজেনদের তীব্র ক্ষোভ।
- অভিযুক্ত চালকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে সংস্থাটি।
