গৃহপ্রবেশেই ‘লঙ্কাকাণ্ড’! কেজরিওয়াল ঢুকলেন নতুন বাংলোয়, রাঘব সহ ৭ সাংসদ ছাড়লেন দল – এবেলা

গৃহপ্রবেশেই ‘লঙ্কাকাণ্ড’! কেজরিওয়াল ঢুকলেন নতুন বাংলোয়, রাঘব সহ ৭ সাংসদ ছাড়লেন দল – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়াল দিল্লির লোধি এস্টেটের নতুন সরকারি বাংলোয় সপরিবারে উঠেছেন। আদালতের নির্দেশে জাতীয় দলের মর্যাদা অনুযায়ী টাইপ-সেভেন ক্যাটাগরির এই আবাসনটি তাকে বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। তবে নতুন এই ঠিকানায় পা রাখার আনন্দ ফিকে হয়ে গেছে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঘটা এক নজিরবিহীন রাজনৈতিক বিপর্যয়ে।

তৃণমূলে ফাটল ও রাজনৈতিক প্রভাব

কেজরিওয়ালের গৃহপ্রবেশের রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যসভা সাংসদ রাঘব চড্ডা সহ আরও ছয়জন সাংসদ আনুষ্ঠানিকভাবে দল ত্যাগ করেছেন। এই হেভিওয়েট নেতারা যোগ দিয়েছেন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপিতে, যা আপ-এর জন্য বড় ধরনের নেতৃত্ব সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জাতীয় পর্যায়ে দলের প্রসারের চেষ্টার মাঝেই এই গণ-দলত্যাগ দিল্লির রাজনীতিতে আম আদমি পার্টির ভিত অনেকটাই নড়বড়ে করে দিয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড়

একই দিনে নতুন বাড়িতে ওঠা এবং দলের ভাঙন নিয়ে নেটদুনিয়ায় বিদ্রূপের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। নেটিজেনদের একাংশ এই সমাপতনকে কটাক্ষ করে বলছেন, নতুন বাড়ির ‘বাস্তুদোষ’ বোধহয় প্রথম দিনেই দলকে পথে বসিয়ে দিল। এক্স (পূর্বতন টুইটার) হ্যান্ডেলে অনেকেই মন্তব্য করেছেন যে, কেজরিওয়াল যখন ঘর গোছাতে ব্যস্ত, তখন তার দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সঙ্গীরাই ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেছেন।

এই আকস্মিক রাজনৈতিক রদবদল আগামী নির্বাচনগুলোতে আপ-এর রণকৌশলকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে পরিচিত নেতাদের এভাবে বিজেপি শিবিরে চলে যাওয়াকে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই বিপর্যয় কাটিয়ে অরবিন্দ কেজরিওয়াল কীভাবে দলকে পুনরায় সংগঠিত করেন, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

এক ঝলকে

  • দিল্লির ৯৫ লোধি এস্টেটের নতুন সরকারি বাংলোয় উঠেছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
  • গৃহপ্রবেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দল ছাড়লেন সাংসদ রাঘব চড্ডা সহ আরও ৬ জন।
  • পদত্যাগী সাত নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিয়েছেন।
  • একই দিনে বাড়ি বদল ও দলের ভাঙন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রোলের শিকার আপ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *