গ্লুটেন মুক্ত গ্লাস নুডলস, কতটা স্বাস্থ্যকর আপনার জন্য – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
ইদানীং স্বাস্থ্য সচেতনদের একাংশের মধ্যে ময়দার তৈরি নুডলসের বিকল্প হিসেবে ‘গ্লাস নুডলস’ বা স্বচ্ছ চাউমিন খাওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জলের মতো স্বচ্ছ এবং কাচের মতো দেখতে এই নুডলস মূলত সবুজ মুগ ডাল, আলু বা রাঙা আলুর স্টার্চ থেকে তৈরি হয়। সম্পূর্ণ গ্লুটেনমুক্ত হওয়ায় অনেকেই এটিকে স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী বলে মনে করছেন। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, গ্লুটেনমুক্ত মানেই এটি সবার জন্য সমান উপকারী বা অবাধে খাওয়ার যোগ্য নয়। এর কিছু বিশেষ পুষ্টিগুণ যেমন রয়েছে, তেমনই নির্দিষ্ট কিছু শারীরিক সমস্যায় এটি বুঝে খাওয়া জরুরি।
কারা নিশ্চিন্তে ডায়েটে রাখতে পারেন
যাঁরা ‘সিলিয়াক ডিজিজ’ নামক পেটের সমস্যায় ভুগছেন কিংবা যাঁদের শরীরে গ্লুটেন অ্যালার্জি রয়েছে, তাঁদের জন্য গ্লাস নুডলস একটি চমৎকার এবং নিরাপদ বিকল্প। সাধারণ ময়দার নুডলসের তুলনায় এতে ফ্যাটের পরিমাণ অনেকটাই কম থাকে। ফলে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ডায়েটে মাঝেমধ্যে স্বাদের বদল ঘটাতে এই স্বচ্ছ নুডলস ব্যবহার করা যেতে পারে। গ্লুটেন সংবেদনশীল মানুষের পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষায় এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে।
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কতটা নিরাপদ
গ্লাস নুডলস সম্পূর্ণ গ্লুটেনমুক্ত হলেও এতে ফাইবার, প্রোটিন, ভিটামিন বা খনিজের উপস্থিতি প্রায় নেই বললেই চলে। এই নুডলসের সিংহভাগ উপাদানই হলো স্টার্চ বা শ্বেতসার। ফলে এতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি এবং এর ‘গ্লাইসেমিক ইনডেক্স’ বা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ানোর প্রবণতা তুলনামূলকভাবে উঁচুর দিকে। এই কারণে ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে গ্লাস নুডলস রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে এই নুডলস মেপে খাওয়া উচিত এবং পুষ্টির ভারসাম্য বজায় রাখতে এর সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ও ফাইবার যুক্ত সবজি মিশিয়ে নেওয়া আবশ্যক।
