চারিদিকে সিসিটিভি ক্যামেরা আর ঘরের ভেতরে চলছিল অনৈতিক কাজ, ৭ তরুণীসহ হাতেনাতে ধরা পড়ল ২ গ্রাহক! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
উত্তর প্রদেশের মেরঠের দেবপুরী ভাটিপুরা এলাকায় এক রোমহর্ষক অভিযানে একটি বড়সড় সেক্স র্যাকেটের পর্দাফাস করল রেলওয়ে রোড থানার পুলিশ। দীর্ঘদিনের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে চালানো এই অভিযানে সাতজন তরুণী এবং দুইজন খদ্দেরকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, জনৈক ইরশাদ পাঠান ওরফে পিন্নুর বাড়িতে এই অবৈধ ব্যবসা চলত, যেখানে কড়া নিরাপত্তার জন্য বাড়ির চারপাশ সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হয়েছিল।
পুলিশি অভিযানের নেপথ্য ও জাল বিস্তার
এসপি সিটি বিনায়ক ভোসলে ও সিও ক্যান্ট নবীন শুক্লার নেতৃত্বে চারটি বিশেষ দল গঠন করে এই ঝটিকা অভিযান চালানো হয়। তদন্তে উঠে এসেছে যে, জনবহুল এলাকায় আইনজীবী পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষকে ভয় দেখিয়ে আসছিল মূল অভিযুক্ত ইরশাদ। খদ্দের জোগাড় করার জন্য সে পার্শ্ববর্তী পান দোকানদার তাবিদের সাহায্য নিত, যে মোবাইলে ছবি দেখিয়ে সম্ভাব্য গ্রাহকদের ওই আস্তানায় পাঠাত। পুলিশ এই পুরো চক্রের মাস্টারমাইন্ডসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে।
আইনি ব্যবস্থা ও এলাকায় চাঞ্চল্য
স্থানীয় বাসিন্দারা গত এক বছর ধরে এই অসামাজিক কার্যকলাপ নিয়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন এবং ১৫ দিন আগে এসএসপির কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, সিসিটিভি ব্যবহার করে পুলিশের নজরদারি এড়িয়ে দীর্ঘদিন এই ব্যবসা চালানো হচ্ছিল। বর্তমানে মূল অভিযুক্ত ইরশাদ ও তার সহযোগীরা পলাতক থাকলেও পুলিশ তাদের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই চক্রের সাথে আরও কারা জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এক ঝলকে
- মেরঠের দেবপুরী এলাকায় পুলিশের ঝটিকা অভিযানে সাতজন তরুণী ও দুইজন যুবক গ্রেপ্তার।
- মূল অভিযুক্ত ইরশাদ পাঠান নিজেকে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরার আড়ালে যৌন ব্যবসা চালাত।
- পান দোকানদারের মাধ্যমে খদ্দেরদের কাছে তরুণীদের ছবি পাঠিয়ে ডিল করা হতো।
- ঘটনার তদন্ত চলছে এবং পলাতক মূল চক্রীদের ধরতে পুলিশি তল্লাশি জারি রয়েছে।
