ছাত্রীদের জন্য বড় ধামাকা! কলেজে পড়লেই এক লপ্তে ৫০ হাজার টাকা দেবে রাজ্য, জানুন আবেদনের শর্ত – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
September 29, 20266:08 pm
কলকাতা: রাজ্যে উচ্চশিক্ষায় মেয়েদের ড্রপ আউট কমাতে এবং পড়াশোনায় উৎসাহ জোগাতে বড় ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। সরকারি বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত কলেজে স্নাতক স্তরে (UG) ভর্তি হলেই অবিবাহিত ছাত্রীরা পাবেন মোট ৫০,০০০ টাকার আর্থিক সাহায্য। এই বিশেষ প্রকল্পের জন্য বাজেট থেকে ইতিমধ্যেই ১,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
কোন ইয়ারে কত টাকা পাবেন छात्रীরা? এই স্কলারশিপের টাকা ৩টি কিস্তিতে সরাসরি ছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে:
- প্রথম বর্ষ (1st Year): ১৭,০০০ টাকা
- দ্বিতীয় বর্ষ (2nd Year): ১৭,০০০ টাকা
- তৃতীয় বর্ষ (3rd Year): ১৬,০০০ টাকা (মোট প্রাপ্তি: ৫০,০০০ টাকা)
কারা পাবেন এই স্কলারশিপ? (যোগ্যতার মানদণ্ড): ১. ছাত্রীকে অবশ্যই অবিবাহিত হতে হবে।
২. পশ্চিমবঙ্গের যেকোনো সরকারি বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত/অনুদানপ্রাপ্ত কলেজে স্নাতক স্তরে (গ্র্যাজুয়েশন/অনার্স) ভর্তি হতে হবে।
৩. এটি মাসে মাসে দেওয়া হবে না, বরং বছরের হিসেবে ৩ বছরে মোট ৫০,০০০ টাকা মিলবে।
আবেদন কীভাবে ও কবে থেকে? সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে, খুব শীঘ্রই এই স্কিমের গাইডলাইন ও পোর্টাল চালু করা হবে। আবেদন নেওয়া হবে অনলাইন ও অফলাইন—দুই মাধ্যমেই। অনলাইনে নির্দিষ্ট পোর্টাল ও কলেজের সুপারিশের ভিত্তিতে আবেদন করা যাবে এবং অফলাইনে স্থানীয় প্রশাসনিক অফিস থেকে ফর্ম জমা নেওয়া হবে। আবেদন জমা পড়ার পর সঠিক তথ্য যাচাই করেই তালিকা চূড়ান্ত হবে।
হাওড়ার সভা থেকে শিক্ষার প্রসারে একগুচ্ছ মাস্টারস্ট্রোক
হাওড়ার ব্যাঁটরার মধুসূদন পাল চৌধুরী হাইস্কুল থেকে পড়ুয়াদের হাতে সাইকেল তুলে দিয়ে ‘সারথি’ কর্মসূচির সূচনা করা হয়। উল্লেখ্য, পূর্বতন ‘সবুজ সাথী’ প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করেই রাখা হয়েছে ‘সারথি’। ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় ৫০৮ কোটি টাকা খরচ করে ১২ লক্ষ ৫৯ হাজার পড়ুয়াকে সাইকেল দেওয়ার লক্ষ্য মাত্রা নিয়েছে রাজ্য।
শিক্ষাক্ষেত্রে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা:
- স্কুল পড়ুয়াদের অনুদান বৃদ্ধি: স্কুল পড়ুয়াদের বার্ষিক সরকারি অনুদান ১,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হয়েছে।
- স্মার্ট স্কুল ও ফ্রি ট্যাব: চলতি বছর রাজ্যে আরও ৮০০টি নতুন স্মার্ট স্কুল চালু হবে। রাজ্য মোবাইল ফোন না দিলেও এডুকেশন-রিলেটেড ট্যাব দেবে এবং প্রয়োজনে টাকার পরিমাণও বাড়ানো হবে।
- সাইকেল কারখানায় জমি: তিন স্তরে মান পরীক্ষার পর এই সাইকেল বিতরণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে রাজ্যেই সাইকেল তৈরি করা যায়, তার জন্য প্রস্তুতকারক সংস্থাকে জমি দেওয়ার ঘোষণা করা হয়।
