ছুটি কি বাতিল? গরমের দাবদাহের মাঝেই স্কুল নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের পথে পর্ষদ!

ছুটি কি বাতিল? গরমের দাবদাহের মাঝেই স্কুল নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের পথে পর্ষদ!

রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলোতে গরমের ছুটি কবে পড়বে, তা নিয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি শিক্ষা দফতর। সাধারণত মে মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে এই ছুটি শুরু হয়। তবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে যেভাবে তাপমাত্রার পারদ ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে, তাতে ছুটির সময় এগিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। যদিও পড়াশোনার ক্ষতির কথা মাথায় রেখে এবার ভিন্ন পথে হাঁটার দাবি তুলছেন শিক্ষকদের একটি বড় অংশ।

ছুটির বদলে মর্নিং স্কুল চালুর সওয়াল

শিক্ষকদের দাবি, গত কয়েক বছরে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই গরমের ছুটি দিয়ে দেওয়ার ফলে সিলেবাস শেষ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এছাড়া বিধানসভা নির্বাচন এবং ভোটার তালিকার কাজের চাপে এমনিতেই নিয়মিত পঠনপাঠন ব্যাহত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ছুটি না বাড়িয়ে বরং সকালে স্কুল চালু করার আবেদন জানিয়েছেন নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ও শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চ। বাম আমলের উদাহরণ টেনে তারা বলছেন, সকালে ক্লাস হলে একদিকে যেমন তাপপ্রবাহ থেকে পড়ুয়াদের রক্ষা করা যাবে, অন্যদিকে বজায় থাকবে শিক্ষাদিবসের সংখ্যাও।

সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকতে পারে নির্বাচনের পর পর্যন্ত

শিক্ষাসচিবের কাছে এই মর্মে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হলেও সরকারের তরফে এখনও ইতিবাচক কোনো সাড়া মেলেনি। শিক্ষা দফতরের একাংশের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সকালে স্কুল চালু করার মতো কোনো পরিকল্পনা তাৎক্ষণিকভাবে নেই। নির্বাচনের এই ব্যস্ত সময়ে কোনো বড় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা কম। ফলে মে মাসের তীব্র দাবদাহে ছুটির ঘোষণার অপেক্ষা করবেন নাকি স্কুল চলাকালীন সময়ের পরিবর্তন আসবে, তা নিয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।

এক ঝলকে

  • মে মাসের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে স্কুলে গরমের ছুটি পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি শিক্ষা দফতর।
  • পড়াশোনার ক্ষতি এড়াতে গরমের ছুটির বদলে সকালে স্কুল চালুর দাবি তুলেছেন শিক্ষকদের একাংশ।
  • দক্ষিণবঙ্গের তাপপ্রবাহ ও নির্বাচনের কারণে ব্যাহত পঠনপাঠন পুষিয়ে নিতেই এই বিকল্প প্রস্তাব।
  • সকালে স্কুল চালুর বিষয়ে সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পেতে পেতে ভোট পরবর্তী সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *