জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্রে বড় রদবদল রাজ্যের! নামে চলবে না ‘শর্টকাট’, জেনে নিন নয়া নিয়ম – এবেলা
July 16, 2026

এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে বার্থ এবং ডেথ সার্টিফিকেট (Birth and Death Certificate) ইস্যু করার ক্ষেত্রে ভুয়ো তথ্য এবং অনিয়ম রুখতে কড়া পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদনের পর স্বাস্থ্য দফতর ‘Registration of Births and Deaths (Amendment) Rules, 2026’ জারি করেছে। এই গেজেট নোটিফিকেশনের ফলে জন্ম ও মৃত্যু নথিভুক্তিকরণে একাধিক বড় পরিবর্তন এল।
কী কী নতুন নিয়ম চালু হলো?
- নামে ‘শর্টকাট’ বাতিল: আবেদনকারীর নামের ক্ষেত্রে কোনও সংক্ষিপ্ত রূপ (Abbreviation) ব্যবহার করা যাবে না। নাম লিখতে হবে সম্পূর্ণ ফর্মে (First Name, Middle Name এবং Last Name)।
- বিস্তারিত ঠিকানা বাধ্যতামূলক: ঠিকানা ও ব্যক্তিগত তথ্যের ক্ষেত্রে এখন থেকে জেলা, ব্লক বা সাব-ডিভিশন, গ্রাম বা ওয়ার্ড, বাড়ির নম্বর এবং পিন কোড দেওয়া একেবারে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- বাড়িতে মৃত্যুর ক্ষেত্রে কড়াকড়ি: হাসপাতাল বা নার্সিংহোমের বাইরে অর্থাৎ বাড়িতে কারও মৃত্যু হলে, শংসাপত্রের জন্য এমবিবিএস (MBBS) বা স্বীকৃত আয়ুষ (AYUSH) চিকিৎসকের দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।
- দেরিতে আবেদনের নয়া নিয়ম:
- ৩০ দিন পর আবেদন করলে নির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি এবং সেলফ ডিক্লারেশন (Self Declaration) লাগবে।
- ১ বছরের বেশি দেরি হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (DM), এসডিও (SDO) বা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ প্রয়োজন।
- ২ বছরের বেশি দেরি হলে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়া সার্টিফিকেট মিলবে না।
- ডিজিটাল সুবিধা ও ফি বৃদ্ধি: এবার থেকে অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও জন্ম-মৃত্যুর শংসাপত্র সংগ্রহ করা যাবে। সমস্ত আবেদন ও রিপোর্টের ফর্ম নতুন করে সংশোধন করা হয়েছে। তবে শংসাপত্রের কপি, বিলম্বিত নথিভুক্তি এবং আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ আগের তুলনায় অনেকটাই বাড়ানো হয়েছে।
