ঝাঁকজমকহীন বিয়ে কেন বেছে নিলেন কৃতিকা-গৌরব?

ঝাঁকজমকহীন বিয়ে কেন বেছে নিলেন কৃতিকা-গৌরব?

প্রথা ভাঙলেন কৃতিকা: আড়ম্বরহীন বিয়ের নতুন ট্রেন্ড ও আধুনিক দম্পতির ভাবনা

বর্তমান সময়ে বিয়ের সংজ্ঞা যেন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। চাকচিক্যময় আয়োজন, কয়েক দিনব্যাপী নানা আচার-অনুষ্ঠান এবং বিপুল খরচের প্রতিযোগিতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে এক নতুন ধারার সূচনা করছেন তরুণ প্রজন্মের তারকা ও দম্পতিরা। জনপ্রিয় তারকা কৃতিকা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের বিয়ের সিদ্ধান্ত এবং জীবনদর্শন নিয়ে এমনটিই জানালেন, যা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিয়ের প্রথাগত নিয়মে অনীহা

কৃতিকা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের সম্পর্কের ভিত্তি নিছক সামাজিক আনুষ্ঠানিকতার ওপর নির্ভরশীল নয়। দীর্ঘদিনের প্রচলিত বিয়ের রীতিনীতি বা ক্যালেন্ডার মেনে একের পর এক আচার পালনে তাদের কোনো আগ্রহই ছিল না। বরং তারা চেয়েছেন তাদের ব্যক্তিগত বিশেষ দিনটিকে সহজ ও সাবলীলভাবে কাটাতে। বড় কোনো আড়ম্বর ছাড়াই তাদের কাছে সম্পর্কের গভীরতা ও উদযাপন করাই ছিল প্রকৃত লক্ষ্য।

সাড়ে তিন দিনে নয়, অনুভবে বিয়ে

নিজেদের বিয়ের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে কৃতিকা জানান, শুরু থেকেই তাদের কোনো বড় অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ছিল না। সাধারণত বিয়েতে যে ধরনের রুটিন মাফিক কাজের চাপ থাকে, তা থেকে তারা পুরোপুরি দূরে থাকতে চেয়েছেন। তাদের মতে, একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার প্রকাশই আসল, লোক দেখানো অনুষ্ঠান নয়। এই মানসিকতা আধুনিক দম্পতিদের মধ্যে এক ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে।

জীবনযাত্রায় পরিবর্তনের প্রভাব

অনেকেই এখন মনে করছেন, বিয়ের অনুষ্ঠানের পেছনে অযথা অর্থব্যয় না করে বরং জীবনের গুণগত মান বৃদ্ধির দিকে নজর দেওয়া বেশি জরুরি। কৃতিকার এই সাহসী অবস্থান প্রমাণ করে যে, সামাজিক চাপের চেয়ে নিজের মানসিক শান্তি ও ব্যক্তিগত ইচ্ছাকে প্রাধান্য দেওয়া এখন সময়ের দাবি। তার এই সিদ্ধান্ত হয়তো আগামী দিনে অনেক তরুণ-তরুণীকে বিয়ের সংজ্ঞাকে নতুন করে ভাবতে উৎসাহিত করবে।

এক ঝলকে

• বিয়ের অনুষ্ঠানে আড়ম্বর নয়, সম্পর্কের উদযাপনেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন কৃতিকা।
• প্রথাগত রীতিনীতি বা ক্যালেন্ডার মেনে চলা বিয়ের আয়োজনে তারা বরাবরই অনিচ্ছুক ছিলেন।
• বিশাল খরচের বিয়ের বদলে সহজ ও সাবলীল ঘরোয়া আয়োজনকে প্রাধান্য দিয়েছেন তারা।
• তরুণ প্রজন্মের কাছে সম্পর্কের গভীরতাই যে বড়—এই বার্তাটিই উঠে এসেছে কৃতিকার বক্তব্যে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *