টাকা এলেও ঘর গড়া দায়: বালির চড়া দামে থমকে পশ্চিম মেদিনীপুরের ‘আবাস’ যোজনা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
আবাস প্রকল্পের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেলেও ঘর তৈরির কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন না পশ্চিম মেদিনীপুরের হাজার হাজার উপভোক্তা। রাজ্যজুড়ে ১০ লক্ষেরও বেশি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির ৬০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যার মধ্যে এই জেলায় পেয়ে গেছেন প্রায় ৩৪ হাজার জন। তবে টাকা হাতে আসলেও মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বালি এবং অন্যান্য নির্মাণসামগ্রীর আকাশছোঁয়া দাম।
বর্ষার মরশুমে নদী থেকে বালি তোলা বন্ধ থাকায় জোগান যেমন কমেছে, তেমনই ইট, রড ও সিমেন্টের দরও অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। মাস দুয়েক আগে জেলা প্রশাসন, বিধায়ক ও খাদান মালিকদের বৈঠকে প্রতি ১০০ সিএফটি বালির দাম ৩ হাজার টাকা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হলেও, বাস্তবে সেই দামে বালি মেলেনি। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাত্র ৮০-৮৫ সিএফটি বালি ভর্তি এক ট্র্যাক্টরের দাম হাঁকা হচ্ছে ৬৫০০ থেকে ৮০০০ টাকা পর্যন্ত! পাশাপাশি স্টোনচিপস ও ইটের দামও সাধারণের সাধ্যের বাইরে চলে গেছে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, মজুত বালির জোগান কম এবং পরিবহন খরচ বেশি হওয়ার কারণেই এই মূল্যবৃদ্ধি। সমস্যা স্বীকার করে পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক বিজিন কৃষ্ণা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে নতুন করে বৈঠক ডেকে উপভোক্তারা যাতে ন্যায্যমূল্যে বালি পেতে পারেন, তার ব্যবস্থা করা হবে।
