টার্গেট ২০২৯? বাদল অধিবেশনেই ডিলিমিটেশন বিল আনার ছক কেন্দ্রের, সরব কংগ্রেস – এবেলা
July 17, 2026

এবেলা ডেস্কঃ
আসন্ন বাদল অধিবেশনে ‘ডিলিমিটেশন’ বা আসন পুনর্বিন্যাস বিল আনতে চলেছে কেন্দ্র! ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখেই মোদী সরকারের এই সুদূরপ্রসারী রাজনৈতিক ব্লু-প্রিন্ট বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। বিরোধী দলগুলিকে দুর্বল করতেই এই চক্রান্ত বলে দাবি হাত শিবিরের।
কংগ্রেসের মূল অভিযোগগুলি একনজরে:
- রাজনৈতিক ফায়দা ও দল ভাঙানোর ছক: জয়রাম রমেশের দাবি, নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার পর থেকেই মরিয়া কেন্দ্র। তৃণমূল কংগ্রেস এবং শিবসেনার (ইউবিটি) মতো শক্তিশালী বিরোধী দলগুলিকে ভাঙার নেপথ্যেও সরকারের এই একই রাজনৈতিক কৌশল কাজ করছে বলে তাঁর অভিযোগ।
- ক্ষতিগ্রস্ত হবে দক্ষিণ ও পশ্চিম ভারত: কংগ্রেসের আশঙ্কা, শুধুমাত্র জনসংখ্যার ভিত্তিতে আসন পুনর্বিন্যাস হলে দক্ষিণ ও পশ্চিমের রাজ্যগুলি চরম ক্ষতির মুখে পড়বে। রমেশের মতে, যে রাজ্যগুলি সফলভাবে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করেছে, তাদের লোকসভায় প্রতিনিধিত্ব কমিয়ে শাস্তি দেওয়া একেবারেই অনুচিত। এটি সরাসরি দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপর আঘাত।
- সর্বদলীয় বৈঠকের দাবি: তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে স্বচ্ছতার সঙ্গে আলোচনার দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। ডিলিমিটেশন এবং জেলে থাকা জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ সংক্রান্ত বিতর্কিত আইন নিয়ে দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছেন। সেখানে অবিলম্বে একটি সর্বদলীয় বৈঠক ডাকার কড়া আবেদন জানানো হয়েছে।
কংগ্রেসের স্পষ্ট বার্তা, ডিলিমিটেশনের মতো স্পর্শকাতর ইস্যু দেশের আগামী ২০-৩০ বছরের রাজনৈতিক ভারসাম্য নির্ধারণ করবে। তাই সরকার যেন একতরফা সিদ্ধান্ত না চাপিয়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ঐকমত্য গঠন করেই পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
