ডাইজেস্টিভ বিস্কুটের মোড়কে আসলে কী খাচ্ছেন? পুষ্টিবিদদের চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ! – এবেলা
August 4, 2026

এবেলা ডেস্কঃ
রঙচঙে প্যাকেটে ‘ডাইজেস্টিভ’, ‘ওটস’ বা ‘মাল্টিগ্রেন’ লেখা দেখে আমরা অনেকেই চোখ বন্ধ করে সেগুলোকে স্বাস্থ্যকর ভেবে কিনে আনি। কিন্তু পুষ্টিবিদদের মতে, এই বিস্কুটগুলো নামের খাতিরেই স্বাস্থ্যকর! নিয়মিত এগুলো অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হতে পারে।
কেন চিকিৎসকরা ডাইজেস্টিভ বিস্কুট এড়াতে বলছেন?
আমরা অনেকেই কার্বোহাইড্রেট বা প্রোটিন নিয়ে সচেতন হলেও খাবারের অত্যন্ত প্রয়োজনীয় উপাদান ফাইবার বা তন্তু নিয়ে মাথা ঘামাই না। আর এখান থেকেই শুরু হয় সমস্যা!
- ফাইবারের অভাব: ডাইজেস্টিভ বিস্কুট মূলত প্রসেসড বা পরিশোধিত ময়দা দিয়েই তৈরি হয়। এতে ফাইবারের পরিমাণ প্রায় থাকেই না।
- রোগের ঝুঁকি: খাবারে ফাইবারের ঘাটতিই ডায়াবেটিস, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ এবং কমবয়সী নারীদের ক্ষেত্রে পিসিওডি (PCOD)-র মতো জটিল সমস্যার অন্যতম প্রধান কারণ।
বিস্কুটের বদলে স্ন্যাক্সে কী রাখবেন?
চায়ের সাথে প্রতিদিন ময়দার বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাস আজই বদলে ফেলা জরুরি। এর বদলে আপনার প্রতিদিনের ডায়েটে রাখতে পারেন কিছু স্বাস্থ্যকর বিকল্প:
- রোস্টেড মাখানা: সামান্য ঘিয়ে হালকা ভেজে নেওয়া মাখানায় প্রচুর ফাইবার ও প্রোটিন থাকে। এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরিয়ে রাখার পাশাপাশি শরীরে পর্যাপ্ত পুষ্টি জোগায়।
- হালকা চিড়ে ও মিক্সড সিডস: বিস্কুটের বিকল্প হিসেবে হালকা চিড়ে ভাজা কিংবা বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যকর বীজ (Mixed Seeds) বেছে নিতে পারেন।
চায়ের আড্ডায় বিস্কুটের বদলে এই ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো আনলেই আপনি নিজেকে অনায়াসে ফিট ও সুস্থ রাখতে পারবেন।
