“তৃণমূলীকরণ হলে বিজেপিই থাকবে না!”— তোলাবাজি ও ‘সিন্ডিকেট’ নিয়ে দলীয় কর্মীদের কঠোর বার্তা শমীকের! – এবেলা

“তৃণমূলীকরণ হলে বিজেপিই থাকবে না!”— তোলাবাজি ও ‘সিন্ডিকেট’ নিয়ে দলীয় কর্মীদের কঠোর বার্তা শমীকের! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

রাজ্যে ক্ষমতার পট পরিবর্তন হলেও দলীয় কর্মীদের মানসিকতা ও কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রকাশ্যে ক্ষোভ উগরে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। দলের একাংশের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি সাফ জানিয়ে দেন, “বিজেপির তৃণমূলীকরণ হলে সেটা আর বিজেপি থাকবে না। এটা কিছুতেই হতে দেওয়া যাবে না।”

সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নিচুতলার বিজেপি কর্মীদের একাংশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেক ক্ষেত্রে তৃণমূল ছেড়ে আসা কর্মীদের গ্রহণ করা এবং পুরনো সাংস্কৃতিক প্রবণতা বজায় রাখা নিয়ে দলের অন্দরেই অস্বস্তি তৈরি হয়েছে।

শমীক ভট্টাচার্যের বক্তব্যের প্রধান দিকগুলি:

  • ‘তৃণমূলীকরণ’ বন্ধের কড়া নির্দেশ: শমীকবাবু জানান, দুই-একটি জায়গায় কর্মীদের আচরণে বিচ্যুতি দেখা যাচ্ছে। তবে বিজেপি কখনোই তৃণমূলের ছাঁচে চলবে না। যাঁদের মধ্যে এমন প্রবণতা আছে, তাঁদের নিজেদের শুধরে নিতে হবে।
  • তোলাবাজি ও সিন্ডিকেট রাজ: রাজ্যে তোলবাজি বা সিন্ডিকেট প্রথা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি বলে স্বীকার করে নেন রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, “দীর্ঘদিন ধরে একটা বিশেষ ব্যবস্থার মধ্যে মানুষ অভ্যস্ত ছিল। রাতারাতি ক্ষমতার পরিবর্তন হলেই সব বদলে যায় না। তবে এই ভাবধারা থেকে বেরোতেই হবে।”
  • ‘স্বঘোষিত নেতা’ ও মাইক সংস্কৃতি বন্ধের ডাক: নাম না করে শমীকবাবু কটাক্ষ করে বলেন, অনেকেই এলাকায় নিজেদের ‘স্বঘোষিত কাউন্সিলর’ ভাবতে শুরু করেছেন। এছাড়া সামাজিক অনুষ্ঠানে দেদার মাইক বাজানোর সংস্কৃতির তীব্র বিরোধিতা করে তিনি বলেন, “৪৪ জন রক্ত দেবেন আর ৪৪৪টি মাইকের চোঙা বাজবে—এমন আচরণ বন্ধ করতে হবে। মানুষ এই সব বদলানোর জন্যই আমাদের ভোট দিয়েছে।”

দলীয় কর্মীদের সতর্ক করে শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন যে, দলীয় লক্ষ্যের অভিমুখ বদলাতে বিজেপি বেশি সময় নেবে না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *