দিল্লিতে নয়া সমীকরণ! কাকলিকে সরিয়ে বিদ্রোহী তৃণমূলের কাণ্ডারী সুদীপ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
দিল্লিতে তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের রাজনৈতিক সমীকরণে আচমকা বড়সড় রদবদল ঘটেছে। বারাসাতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে ১৯ জন বিদ্রোহী সাংসদ এগোবেন বলে এতদিন মনে করা হলেও, শেষ মুহূর্তে এই অঙ্কে প্রবেশ করেছেন লোকসভায় তৃণমূলের প্রাক্তন দলনেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বর্ষীয়ান এই সাংসদের যোগদানে বিদ্রোহী শিবিরের নেতৃত্বভার কাকলির বদলে সুদীপের হাতেই যেতে চলেছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক ও পটপরিবর্তন
শনিবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শতাব্দী রায়ের দীর্ঘ বৈঠকের পরেই এই নতুন চিত্রটি স্পষ্ট হয়। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ রাজনীতিক এবং লোকসভায় তৃণমূলের দীর্ঘদিনের দলনেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দিল্লির বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর পূর্বের সমন্বয় সাধনের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়েই বিদ্রোহী শিবির নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে চাইছে বলে বিশ্লেষকদের মত। তাঁকে এই শিবিরে টেনে আনার অন্যতম কারিগর হিসেবে সাংসদ শতাব্দী রায় উপ-দলনেতার দায়িত্ব পেতে পারেন।
স্পিকারকে চিঠি ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব
পরিকল্পনা অনুযায়ী সবকিছু এগোলে সোমবার তৃণমূলের এই বিদ্রোহী সাংসদ গোষ্ঠী লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে নিজেদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন। তাঁদের মূল উদ্দেশ্য হলো এনডিএ জোটকে আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানানো এবং সংসদের উভয় কক্ষে নিজেদের জন্য পৃথক বসার ব্লকের দাবি করা। সুদীপের মতো হেভিওয়েট ও বর্ষীয়ান নেতার এই দলত্যাগের পদক্ষেপে মূল তৃণমূল কংগ্রেস লোকসভায় কার্যত বড়সড় ধাক্কা খেতে পারে। পাশাপাশি, এই ভাঙনের ফলে জাতীয় রাজনীতিতে এনডিএ জোটের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন গোটা বিষয়টি নির্ভর করছে স্পিকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর।
