দিল্লি বিমানবন্দরে ধৃত বাংলাদেশি ছাত্রনেতা, পুলিশ অফিসার খুনের দায় স্বীকার
২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা চলাকালীন বানিয়াচং থানার সাব-ইন্সপেক্টর সন্তোষ চৌধুরীকে নৃশংসভাবে খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত ছাত্রনেতা আহমেদ রাজা হাসান মেহদিকে দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত মেহদি নিজেই ওই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন, যা পরবর্তীকালে ভাইরাল হয়।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, ভারতকে ‘সেফ করিডর’ হিসেবে ব্যবহার করে মেহদি ইউরোপে পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন। তবে দিল্লি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন পরীক্ষার সময় তাকে শনাক্ত করে আটক করা হয়। শেষ পর্যন্ত তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। আটকের সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং পরে হেনস্থার অভিযোগ তোলেন।
অন্যদিকে, পশ্চিমবঙ্গের কালিয়াচকের হাইস্কুলের শিক্ষক তথা বিএলও আনিকুল আলমের মৃত্যুতে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, এসআইআরের কাজের অতিরিক্ত চাপেই অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই বিএলও মৃত্যুর ঘটনায় কমিশন ও কেন্দ্রের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেছে।

