পুণেতে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে পাথর দিয়ে থেঁতলে খুন! গোয়ালঘর থেকে উদ্ধার দেহ, ধৃত ৬৫ বছরের প্রৌঢ়

মহারাষ্ট্রের পুণে জেলায় চার বছরের এক শিশুকে নৃশংসভাবে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। ৬৫ বছর বয়সী এক প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে শিশুটিকে পাশবিক নির্যাতনের পর পাথর দিয়ে মাথা থেঁতলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুণের নসরাপুর গ্রামে ঘটে যাওয়া এই পৈশাচিক ঘটনাটি জানাজানি হতেই স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যে শিশুটির নিথর দেহ একটি গোয়ালঘরে লুকিয়ে রেখেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে।
আগের অপরাধের ইতিহাস ও রাজনৈতিক ক্ষোভ
এই জঘন্য হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে অভিযুক্তের অপরাধমূলক অতীত সামনে আসছে। বিধায়ক রোহিত পাওয়ার দাবি করেছেন যে, ধৃত প্রৌঢ় এর আগেও একাধিক নাবালিকাকে নিগ্রহ করেছে। ঘটনার প্রতিবাদে গ্রামবাসী রাস্তা অবরোধ করলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এবং অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জোরালো হচ্ছে।
নারী নিরাপত্তার সংকট ও আইনি সংস্কারের দাবি
মহারাষ্ট্রে ক্রমবর্ধমান নারী নির্যাতনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে প্রশাসনকে বিঁধছেন বিরোধী নেতারা। তথ্যানুযায়ী, রাজ্যে প্রতিদিন গড়ে ২৪টি ধর্ষণের ঘটনা নথিভুক্ত হচ্ছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকারকে বিশেষ অধিবেশন ডেকে কঠোর ‘শক্তি আইন’ কার্যকর করার দাবি জানানো হয়েছে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলায় এক কিশোরীকে জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণের খবর আসায় দেশের নারী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এক ঝলকে
- পুণের নসরাপুর গ্রামে ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগে ৬৫ বছরের প্রৌঢ় গ্রেফতার।
- অপরাধ লুকানোর উদ্দেশ্যে শিশুটির দেহ একটি গোয়ালঘরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
- অভিযুক্তের ফাঁসির দাবিতে স্থানীয়দের বিক্ষোভ এবং মহারাষ্ট্রে কঠোর ‘শক্তি আইন’ পাসের দাবি।
- মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলাতেও এক কিশোরীকে গণধর্ষণের ঘটনায় পকসো আইনে মামলা দায়ের।
