প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ শুধুই নাটক! সরব কংগ্রেস ও তৃণমূল

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাম্প্রতিক রাষ্ট্রীয় ভাষণকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বিরোধীদের ‘নারী-বিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেস সরব হয়েছে। কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ এই ভাষণকে ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ এবং ‘রাজনৈতিক সংকীর্ণতা’পূর্ণ বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে অভিযোগ করেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে নারীদের তুলনায় কংগ্রেসের নাম ৫৯ বার উল্লেখ করে জনকল্যাণের চেয়ে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতাকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।
নারী শক্তি বন্দন আইন বা মহিলা সংরক্ষণ বিলের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ নিয়েও সরকার ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে বিরোধ চরমে পৌঁছেছে। ২০২৩ সালে বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হওয়ার পরেও তা কার্যকর করতে কেন ৩০ মাস বিলম্ব করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে কংগ্রেস। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার ‘নাটক’ বলে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র দাবি করেছেন। তাঁর মতে, আইন কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায় না থেকে বিজেপি চাইলে এখনই তৃণমূলের মতো এক-তৃতীয়াংশ আসনে নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিতে পারে। সাংবিধানিক সংশোধনীর ব্যর্থতার দায় বিরোধীদের ওপর চাপানোর এই প্রচেষ্টাকে বিরোধী দলগুলো সরকারের ‘রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা’ হিসেবেই দেখছে।
