বজ্রপাতের সতর্কতা! বিকেলের পর বাড়ি ফিরুন সাবধানে, নবান্নের কড়া নির্দেশ

তীব্র দাবদাহের অস্বস্তির মাঝেই দক্ষিণবঙ্গের আকাশে দুর্যোগের ঘনঘটা। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ১৬ এবং ১৭ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রবল কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। বায়ুমণ্ডলে সৃষ্ট অস্থিরতা ও তীব্র তাপপ্রবাহের ফলে তৈরি হওয়া বজ্রগর্ভ মেঘ থেকেই এই ঝড়ের উৎপত্তি। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আবহাওয়া দপ্তর সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’ জারি করেছে।

ঝড়ের গতিবেগ ও প্রশাসনের প্রস্তুতি
পূর্বাভাস অনুযায়ী, কালবৈশাখীর সময় ঝোড়ো হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যা জনজীবনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে সক্ষম। সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে রাজ্য প্রশাসনকে বিশেষ সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। বিদ্যুৎ দপ্তর ও দুর্যোগ মোকাবিলা বাহিনীকে (এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ) প্রস্তুত রাখা হয়েছে, যাতে গাছ উপড়ে পড়া বা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের মতো পরিস্থিতিতে দ্রুত পরিষেবা স্বাভাবিক করা যায়।

সতর্কতায় জনজীবন
ঝড় ও বজ্রপাতের সময় ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে সাধারণ মানুষকে বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিকেল ও সন্ধ্যায় বাড়ির বাইরে না বেরোনোর আহ্বান জানিয়েছে প্রশাসন। বিশেষ করে বড় গাছ বা বিদ্যুৎবাহী খুঁটির নিচে আশ্রয় না নিতে এবং কৃষকদের ফসল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সাময়িক যানজট ও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

এক ঝলকে

  • ১৬ ও ১৭ এপ্রিল দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে কালবৈশাখীর জেরে ‘অরেঞ্জ অ্যালার্ট’।
  • ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা।
  • তীব্র দাবদাহে বায়ুমণ্ডলের অস্থিরতাই এই অকাল দুর্যোগের মূল কারণ।
  • ক্ষয়ক্ষতি রুখতে বিদ্যুৎ দপ্তর ও দুর্যোগ মোকাবিলা দলকে সতর্ক থাকার নির্দেশ।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *