বন্ধ কালীঘাটের দরজা! দলত্যাগের আবহে মমতার অন্দরমহলে কড়া নিরাপত্তা – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
একসময় ৩০বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট মানেই ছিল আমজনতার জন্য অবারিত দ্বার। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যে কালীঘাটের সেই চেনা ছবিটা আমূল বদলে গিয়েছে। দলীয় কর্মী, সাংবাদিক থেকে সাধারণ মানুষ—সবার জন্যই এখন মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে কড়া নিরাপত্তার বেষ্টনী।
নিরাপত্তার কড়া ঘেরাটোপে ‘দুর্গ’
- সীমিত সময়: বর্তমানে মমতার সঙ্গে দেখা করা বেশ কঠিন। দিনে মাত্র দু’ঘণ্টা (বিকেল ৪টে থেকে ৬টা) দর্শনার্থীদের জন্য সময় বরাদ্দ করা হয়েছে।
- ক্যামেরায় নিষেধাজ্ঞা: বাড়ির উল্টো দিকের রাস্তায় সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরার প্রবেশেও জারি হয়েছে কার্যত কড়া বিধিনিষেধ।
দল গোছাতে মরিয়া নেত্রী ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস বা মদন মিত্রের মতো একসময়ের প্রথম সারির নেতারা বিরোধী শিবিরে নাম লেখালেও দমে যাননি তৃণমূল সুপ্রিমো। বরং, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্র এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়দের মতো নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তিনি পুরোদমে দলের মেরুদণ্ড শক্ত করতে ব্যস্ত। হাওড়া, বেহালা বা গার্ডেনরিচের মতো এলাকার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে লাগাতার বৈঠক করছেন তিনি।
ভরসা সেই ‘সোনার খনি’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বর্তমান লড়াইয়ের প্রধান অস্ত্র তৃণমূল স্তরের পুরনো কর্মীরা। তাঁদেরকেই তিনি দলের ‘সোনার খনি’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।
২০২৬-এর কড়া বার্তা ১৯৯৭ বা ২০০৪ সালের সংগ্রামের স্মৃতি উসকে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কর্মীদের মনোবল বাড়াচ্ছেন মমতা। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে যাবেন। কিন্তু যাঁরা থেকে যাবেন, তাঁরাই আমার আসল শক্তি।”
