বাংলায় লাভ জিহাদ ও ল্যান্ড জিহাদ করলেই কড়া শাস্তি, বিরাট ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর! – এবেলা
.jpeg.webp?ssl=1)
এবেলা ডেস্কঃ
রাজ্যে ‘ল্যান্ড জিহাদ’ এবং ‘লাভ জিহাদ’-এর মতো কার্যকলাপের বিরুদ্ধে এবার কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে প্রশাসন। শুক্রবার রবীন্দ্রসদনে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী ও বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তির অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনটাই স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যে দেশবিরোধী কার্যকলাপ যে কোনোমতেই বরদাস্ত করা হবে না, সেই কড়া বার্তা দিয়ে তিনি পশ্চিমবঙ্গে দ্রুত ইউনিফর্ম সিভিল কোড (UCC), নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) এবং ধর্মান্তর বিরোধী কড়া আইন কার্যকরের ইঙ্গিত দিয়েছেন।
সীমান্ত নিরাপত্তা ও অনুপ্রবেশ রুখতে কড়া পদক্ষেপ
রাজ্যকে জাতীয়তাবাদী আদর্শে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে সীমান্ত নিরাপত্তায় বিশেষ জোর দিচ্ছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে ইতিমধ্যেই ‘হোল্ডিং স্টেশন’ তৈরি করা হচ্ছে। ভারতীয় ও সনাতন সংস্কৃতি বিরোধী কার্যকলাপে যুক্তদের সেখানে আটকে রেখে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলবে। পাশাপাশি, কাঁটাতার বসানোর জন্য বিএসএফ-এর হাতে জমি তুলে দেওয়া হয়েছে। সিএএ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, হিন্দু হয়ে যাঁরা এ দেশে এসেছেন তাঁরা অনুপ্রবেশকারী নন, বরং উদ্বাস্তু এবং তাঁদের নিরাপদ আশ্রয় দেওয়া হবে। সরকারের এই কঠোর নীতির ফলে রাজ্যে বেআইনি অনুপ্রবেশ অনেকটাই হ্রাস পাবে এবং সীমান্ত এলাকার জনতাত্ত্বিক ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বড়সড় পরিবর্তন আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।
শিক্ষাক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদের প্রসার ও নতুন বিধি
প্রশাসনের নজর রয়েছে শিক্ষাক্ষেত্রেও। স্কুল, কলেজ ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রার্থনার সময় ‘সঞ্জীবনী’ গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের মূল কারণ হলো ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে জাতীয়তাবোধ এবং সাংস্কৃতিক চেতনা বৃদ্ধি করা। এছাড়া, জরুরি অবস্থার সময় যাঁরা কারাবন্দি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, আগামী ৯ অগাস্ট রাজ্য সরকারের তরফে তাঁদের বিশেষ সম্মান জানানো হবে। পাশাপাশি ‘লোকতন্ত্র সেনানি সমন্বয়’ কমিটি গঠন ও মনীষীদের জন্মজয়ন্তী উদ্যাপনের মতো একাধিক জাতীয়তাবাদী কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকারের এই ধারাবাহিক উদ্যোগগুলি রাজ্যের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে গভীর প্রভাব ফেলবে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।
