“বাংলার আত্মায় গঙ্গা”: ভোটের উত্তাপেও শান্ত মুহূর্ত, হুগলির ঘাটে ক্যামেরাবন্দি প্রধানমন্ত্রী! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের উত্তপ্ত আবহে শুক্রবার সকালে এক ভিন্ন মেজাজে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কলকাতার হুগলি নদীর তটে সময় কাটিয়ে তিনি বাংলার সংস্কৃতি ও সভ্যতার সঙ্গে গঙ্গার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। সামাজিক মাধ্যমে সেই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, গঙ্গা বাংলার আত্মার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং এটি প্রতিটি বাঙালির কাছে এক বিশেষ আবেগের স্থান। নৌকায় ভ্রমণের পাশাপাশি তিনি স্থানীয় মাঝিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা করেন।
উন্নয়ন ও পরিবর্তনের সংকল্প
হুগলি নদীর তট থেকে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের সমৃদ্ধি ও সামগ্রিক উন্নয়নের প্রতি তাঁর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বিশেষ করে বাংলার যুব সমাজ ও নারীদের অধিকার রক্ষায় তাঁর সরকার বদ্ধপরিকর বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই সফরের সময় প্রধানমন্ত্রীকে বেশ কিছুটা সময় ছবি তুলতেও দেখা যায়, যেখানে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাসাগর সেতু ও হাওড়া ব্রিজের নান্দনিক রূপ ফুটে ওঠে। বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের চূড়ান্ত মুহূর্তে আধ্যাত্মিকতা ও ঐতিহ্যের মেলবন্ধনে বাংলার মানুষের মন জয়ের এই প্রয়াস যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।
তৃণমূলকে তোপ ও নারী শক্তির জাগরণ
এর আগে কৃষ্ণনগরের জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। রাজ্যে পরিবর্তনের ডাক দিয়ে তিনি দাবি করেন, বাংলার সাধারণ মানুষ বর্তমানে শাসকদলের বিকল্প খুঁজছে। বিশেষ করে নারী সুরক্ষা ও কর্মসংস্থানের ইস্যুতে তিনি সরব হন। প্রধানমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার নারীদের সাংবিধানিক অধিকার খর্ব করছে। প্রথম দফার নির্বাচনে বিপুল জনসমাগম এবং উচ্চ ভোটদানের হারকে তিনি পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আগামী ২৯ এপ্রিল পরবর্তী দফার ভোটগ্রহণ এবং ৪ মে ফলাফল ঘোষণা হবে।
এক ঝলকে
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হুগলি নদীর তট পরিদর্শন করে গঙ্গার গুরুত্ব ও বাংলার সংস্কৃতির প্রশংসা করেন।
- মাঝিদের সঙ্গে কথোপকথন এবং নৌকা ভ্রমণের মাধ্যমে জনসংযোগের পাশাপাশি উন্নয়নের বার্তা দেন।
- কৃষ্ণনগরের জনসভায় নারী সুরক্ষা ও রাজনৈতিক দুর্নীতির ইস্যুতে তৃণমূল সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন।
- ২৯ এপ্রিল পরবর্তী দফার ভোটগ্রহণ শেষে ৪ মে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
