বাঙালি অস্মিতায় শান দিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন ভূমিপুত্রই! – এবেলা

বাঙালি অস্মিতায় শান দিয়ে বড় ঘোষণা অমিত শাহের, বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন ভূমিপুত্রই! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট মিটতেই জয়ের পরিসংখ্যানে আত্মবিশ্বাসী সুর শোনা গেল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের গলায়। শুক্রবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, প্রথম দফার ভোটে বিজেপি ১১০টি আসনে জয়লাভ করবে। পাশাপাশি দ্বিতীয় দফাতেও দল অভাবনীয় সাফল্য পাবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন। উচ্চ শতাংশের ভোটদানকে হাতিয়ার করে শাহের দাবি, সাধারণ মানুষ তৃণমূল সরকারের অপশাসন ও দুর্নীতি থেকে মুক্তি চাইছে বলেই বুথমুখী হয়েছেন। বিশেষ করে মহিলাদের নির্ভয়ে ভোটদানকে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন তিনি।

ভূমিপুত্র তত্ত্ব ও তৃণমূলকে কড়া জবাব

তৃণমূল কংগ্রেসের ‘বহিরাগত’ তত্ত্বকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে অমিত শাহ এদিন বাঙালি অস্মিতার কার্ড খেলেন। তিনি অত্যন্ত সুকৌশলে স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলার মসনদে কোনো বহিরাগতকে বসানো হবে না। শাহের কথায়, আগামী ৫ তারিখের পর বাংলা মাধ্যমে পড়াশোনা করা এবং বাংলার মাটিতে জন্ম নেওয়া কোনো খাঁটি বাঙালিই হবেন পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। এর মাধ্যমে তিনি এই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন যে, দিল্লির নির্দেশে নয় বরং বঙ্গ বিজেপির নেতারাই সরকার পরিচালনা করবেন।

ভোটের উচ্চ হার ও পরিবর্তনের হাওয়া

নির্বাচন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য জনতা ও নিরাপত্তা বাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়ে শাহ জানান, ৯০ শতাংশের বেশি ভোটদানের হার স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে রাজ্যে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়া প্রবল। পুলিশ, প্রশাসন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি দাবি করেন, মানুষ শান্তিতে ভোট দিতে পারার কারণেই এই সংখ্যা অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। তাঁর মতে, মানুষ দুর্নীতির কবল থেকে মুক্তি পেতে বদ্ধপরিকর, আর সেই কারণেই ব্যালট বাক্সে এর প্রতিফল ঘটবে।

এক ঝলকে

  • প্রথম দফার নির্বাচনে ১১০টি আসন পাওয়ার দাবি করে জয়ের আগাম মার্কশিট দিলেন অমিত শাহ।
  • বাংলার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কোনো ভূমিপুত্র বা খাঁটি বাঙালিকেই বেছে নেবে বিজেপি।
  • তৃণমূলের ‘বহিরাগত’ আক্রমণের জবাবে বাঙালি অস্মিতাকে প্রধান হাতিয়ার করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
  • উচ্চ ভোটদানের হারকে দুর্নীতিমুক্ত বাংলা গড়ার প্রবল গণজাগরণ হিসেবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *