বিধায়কদের দাপট খতম! সুপ্রিম কোর্টের তোপ, ‘দলই শেষ কথা, বিধায়ক-সাংসদ নয়’ – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ
প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার যৌথ বেঞ্চ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দল তার সাংগঠনিক নেতৃত্বের হাতেই পরিচালিত হবে। দলের নির্বাচিত বিধায়ক বা সাংসদেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেও তারা মূল দলকে নিয়ন্ত্রণ বা পরিচালনা করতে পারেন না। রাজনৈতিক দলের সিদ্ধান্তই সবক্ষেত্রে চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
নির্বাচন কমিশন ও স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
শুনানি চলাকালীন নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কড়া প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী জানতে চান, দলীয় প্রতীক আদতে মূল রাজনৈতিক দলের কি না। বিশিষ্ট আইনজীবী কপিল সিব্বল সওয়াল করে জানান, প্রতীক দলেরই থাকে। এর জবাবে আদালত মন্তব্য করে যে, কেবল পরিষদীয় দলে সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেখে বিরোধীদের হাতে প্রতীক তুলে দিয়ে নির্বাচন কমিশন ভুল করেছে। একই সাথে মহারাষ্ট্রের স্পিকার কেন দলবদলকারী বিধায়কদের পদ খারিজ করেননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।
‘হুমকির মুখে গণতন্ত্র’
উদ্ধব ঠাকরে শিবিরের পক্ষে আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে সওয়াল করে বলেন, “এই মামলার রায়ের ওপর দেশের গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। সাধারণ মানুষের ভোটে নির্বাচিত হয়ে প্রতিনিধিরা অন্য শিবিরে যোগ দিলে গণরায়ের কোনো মূল্যই থাকে না। কোনো দলের প্রতীকে জিতে যদি প্রতিনিধিরা অন্যত্র চলে যান, তবে দলটির অস্তিত্বই বিপন্ন হবে।”
আদালতও সওয়ালের ভিত্তিতে স্পষ্ট করে যে, পরিষদীয় দলের ক্ষমতার লড়াইয়ে সংগঠন ভেঙে পড়া রোধ করতে হলে মূল দলের সিদ্ধান্তকেই সর্বাগ্রে মান্যতা দিতে হবে।
