বিরাট খবর: বিশ্বকাপ বয়কটের হুঁশিয়ারি! টুর্নামেন্ট বাঁচাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল ফিফা

তিন দেশে আয়োজিত আগামী ফুটবল বিশ্বকাপের বর্ধিত সময়সীমা এবং যাতায়াত খরচ নিয়ে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর ক্ষোভ প্রশমনে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে ফিফা। মূলত আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোর বিস্তীর্ণ ভৌগোলিক দূরত্ব এবং দীর্ঘ প্রতিযোগিতার ব্যালেন্স মেলাতে ইউরোপের প্রভাবশালী দেশগুলো বিশ্বকাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের হুমকি দিয়েছিল। এই সংকট কাটাতে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা পূর্বনির্ধারিত পুরস্কারমূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে।
লভ্যাংশের ভাগ ও নতুন সম্ভাবনা
প্রাথমিকভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ৬৫৫ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৬৫৬৩ কোটি টাকার বিশাল বাজেট ঘোষণা করেছিল ফিফা। তবে দেশগুলোর আপত্তির মুখে এখন কেবল নির্দিষ্ট পুরস্কারমূল্য নয়, বরং টুর্নামেন্ট থেকে অর্জিত মোট লভ্যাংশের একটি বড় অংশও দলগুলোর মধ্যে বণ্টন করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ফিফার ধারণা, আসন্ন আসর থেকে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার আয় হতে পারে, যা গত কাতার বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল আয়ের ভাগ দিয়ে দলগুলোর অতিরিক্ত খরচ পুষিয়ে দেওয়াই এখন ফিফার মূল লক্ষ্য।
প্রভাব ও প্রত্যাশা
অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জন্য এই আর্থিক পরিবর্তন বড় স্বস্তি নিয়ে আসবে। বিশেষ করে যে দলগুলো কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছাবে, তাদের আকাশচুম্বী ভ্রমণ ও আবাসন খরচ মেটাতে এই বর্ধিত অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ফিফা কাউন্সিলের পরবর্তী বৈঠকে চূড়ান্ত টাকার অঙ্ক নির্ধারিত হওয়ার কথা থাকলেও, এই সিদ্ধান্তের ফলে আপাতত ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে তৈরি হওয়া সংঘাতের অবসান ঘটছে বলে মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
এক ঝলকে
- ইউরোপীয় দেশগুলোর আপত্তির মুখে ২০২৬ বিশ্বকাপের পুরস্কারমূল্য ও লভ্যাংশের ভাগ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফা।
- আয়োজক তিনটি দেশের বিশাল দূরত্বের কারণে ফুটবল দলগুলোর বর্ধিত খরচ মেটাতেই এই উদ্যোগ।
- এবারের বিশ্বকাপ থেকে ফিফার সম্ভাব্য আয় ১৩ বিলিয়ন ডলার, যা পূর্বের তুলনায় রেকর্ড পরিমাণ বেশি।
- বর্ধিত এই অর্থ কোয়ার্টার ফাইনালিস্টসহ সকল অংশগ্রহণকারী দলের আর্থিক ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সহায়তা করবে।
