ভয় কাটিয়ে কুলটিতে জনতার দরবার, ২৪ ঘণ্টাতেই ৫ বছরের সমস্যার সমাধান! – এবেলা

ভয় কাটিয়ে কুলটিতে জনতার দরবার, ২৪ ঘণ্টাতেই ৫ বছরের সমস্যার সমাধান! – এবেলা

এবেলা ডেস্কঃ

ভয়মুক্ত সমাজ ও দ্রুত সুশাসনের লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেখানো পথে হেঁটে কুলটিতে প্রথমবার ‘জনতার দরবার’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত করলেন স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী ডাক্তার অজয় পোদ্দার। সোমবার এই কর্মসূচির প্রথম দিনেই অভাব-অভিযোগ জানাতে সাধারণ মানুষের ব্যাপক সাড়া পরিলক্ষিত হয়। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা পানীয় জলের সঙ্কট, বেহাল নিকাশি ব্যবস্থা এবং বিগত পুরবোর্ডের বকেয়া বিল সংক্রান্ত নানা সমস্যা নিয়ে হাজির হন স্থানীয়রা। মন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে অত্যন্ত শান্ত মাথায় এই সমস্ত অভাব-অভিযোগ শোনেন এবং দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেন।

বঞ্চনার অবসান ও নাগরিক স্বস্তি

বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্ব এবং উদাসীনতার কারণে কুলটির এক বড় অংশের মানুষ ন্যূনতম নাগরিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ছিলেন বলে অভিযোগ। বিদায়ী শাসকদলের অনুগামী না হওয়ার কারণে অনেক গৃহস্থের বাড়ির জঞ্জাল পর্যন্ত পরিষ্কার করা হতো না, যার ফলে এলাকায় আবর্জনার পাহাড় জমে উঠেছিল। তবে বর্তমানে সেই রাজনৈতিক ভীতির পরিবেশ কাটিয়ে সাধারণ মানুষ নতুন প্রশাসনের ওপর ভরসা রাখতে শুরু করেছেন। এই পরিবর্তনের সুফল হিসেবেই সীতারামপুরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বন্দনা রায় চৌধুরী জানান, তাঁর দীর্ঘ ৫ বছর ধরে ঝুলে থাকা একটি সমস্যার সমাধান এই দরবারের মাধ্যমে অতি দ্রুত সম্ভব হয়েছে।

উন্নয়নের নতুন রূপরেখা

মন্ত্রী ডাক্তার অজয় পোদ্দার জানান, বিগত পাঁচ বছর বিধায়ক হওয়া সত্ত্বেও বিরোধী আসনে থাকার দরুন তাঁকে মানুষের জন্য কাজ করতে দেওয়া হয়নি। পূর্বতন সরকারের নিষ্ক্রিয়তার অবসান ঘটিয়ে কুলটির সার্বিক পরিকাঠামো বদলে ফেলাই এখন তাঁর প্রধান লক্ষ্য। পানীয় জল, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আমূল সংস্কারকে তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছেন। এই দ্রুত পদক্ষেপের ইতিবাচক প্রভাব হিসেবে ইতিমধ্যেই বরাকর হাসপাতালে ৩০ শয্যার অনুমোদন মিলেছে। পাশাপাশি কুমারডিহায় বেদখল হওয়া ১২ বিঘা সরকারি জমি উদ্ধার করে আধুনিকীকরণের কাজ এবং আসানসোল পুরনিগমের অধীনে বন্ধ থাকা সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলিকে সচল করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *